Sunday 4 January 2026




সর্বশেষ













পুইনানের বিশ্ব ইজতেমায় উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল, বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা।

উত্তরের হাওয়া, ২ জানুয়ারি: হুগলি জেলার পুইনানে আয়োজিত ঐতিহাসিক ধর্মীয় মহাসম্মেলন তথা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিল উত্তরবঙ্গের এক বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই পুণ্য সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক, মাথাভাঙ্গা হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেন, রিয়াজুল হক সহ উত্তরবঙ্গের আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

বিশাল আয়োজন ও লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ইজতেমাকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। সমগ্র দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের জমায়েত দেখে অভিভূত হন উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, “জীবনের এই পর্যায়ে এসে এত বিশাল ইজতেমায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। এখানে ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা, মানবতার আদর্শ ও বিশ্ব শান্তির বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে, যা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক বলেন, এই ধরনের ধর্মীয় সমাবেশ কেবল আধ্যাত্মিক চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের মধ্যে মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের মূল্যবোধ গড়ে তোলে। তাঁর মতে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় রাখাই এই ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন,“আমরা এখান থেকে বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে ফিরতে চাই। এই পুণ্য সমাবেশের অংশ হতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি।”

পুইনানের এই বিশ্ব ইজতেমায় আয়োজিত বিভিন্ন বয়ানে ইসলাম ধর্মের মূল শিক্ষা, মানুষের সেবা, নৈতিকতা ও বিশ্ব শান্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উত্তরবঙ্গ থেকে আগত এই প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি ইজতেমার তাৎপর্যকে আরও গভীরতা দিয়েছে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশের এক শক্তিশালী যোগসূত্র স্থাপন করেছে।

Friday

পুইনানের বিশ্ব ইজতেমায় উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল, বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা।

Friday : উত্তরের হাওয়া, ২ জানুয়ারি: হুগলি জেলার পুইনানে আয়োজিত ঐতিহাসিক ধর্মীয় মহাসম্মেলন তথা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিল উত্তরবঙ্গের এক বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই পুণ্য সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক, মাথাভাঙ্গা হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেন, রিয়াজুল হক সহ উত্তরবঙ্গের আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

বিশাল আয়োজন ও লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ইজতেমাকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। সমগ্র দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের জমায়েত দেখে অভিভূত হন উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, “জীবনের এই পর্যায়ে এসে এত বিশাল ইজতেমায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। এখানে ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা, মানবতার আদর্শ ও বিশ্ব শান্তির বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে, যা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক বলেন, এই ধরনের ধর্মীয় সমাবেশ কেবল আধ্যাত্মিক চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের মধ্যে মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের মূল্যবোধ গড়ে তোলে। তাঁর মতে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় রাখাই এই ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন,“আমরা এখান থেকে বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে ফিরতে চাই। এই পুণ্য সমাবেশের অংশ হতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি।”

পুইনানের এই বিশ্ব ইজতেমায় আয়োজিত বিভিন্ন বয়ানে ইসলাম ধর্মের মূল শিক্ষা, মানুষের সেবা, নৈতিকতা ও বিশ্ব শান্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উত্তরবঙ্গ থেকে আগত এই প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি ইজতেমার তাৎপর্যকে আরও গভীরতা দিয়েছে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশের এক শক্তিশালী যোগসূত্র স্থাপন করেছে।

2026-01-02

নতুন বছরের মানবিক উপহার। রবীন্দ্রনাথ বৃদ্ধাশ্রমে স্মার্ট টিভি তুলে দিলেন ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’ শংকর রায় ও অপর্ণা হালদার।

Thursday : উত্তরের হাওয়া, ১জানুয়ারি: ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়লেন কোচবিহারের ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’ শংকর রায় ও উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর নিবাসী অপর্ণা হালদার। তাঁদের যৌথ উদ্যোগে কোচবিহারের মরিচবাড়ি এলাকায় অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ বৃদ্ধাশ্রমে একটি ৩২ ইঞ্চির স্মার্ট টিভির ব্যবস্থা করা হলো।

কিছুদিন আগে শীতের কম্বল বিতরণ করতে গিয়ে শংকর রায় লক্ষ্য করেন, বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিক মা–বাবারা নীরবে সময় কাটাচ্ছেন, বিনোদনের কোনও ব্যবস্থাই নেই। জিজ্ঞাসা করতেই তাঁরা জানান, আশ্রমে টিভি নেই। সেই মুহূর্তে শংকর রায় ফেসবুক লাইভে এসে সকলের কাছে অনুরোধ জানান—কেউ যদি একটি টিভির ব্যবস্থা করেন, তাহলে বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা উপকৃত হবেন।

এই লাইভ ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়। ভিডিওটি দেখেই অপর্ণা হালদার শংকর রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আর্থিক সহায়তা পাঠান। সেই অর্থে আস্থা ফাউন্ডেশনের সদস্যদের সহযোগিতায় নতুন বছরের প্রথম দিন বৃদ্ধাশ্রমে টিভিটি স্থাপন করা হয়। টিভির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে কেক কেটে বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন সকলে।

টিভিতে রবীন্দ্রসংগীত ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখে খুশিতে মুখর হয়ে ওঠেন বৃদ্ধাশ্রমের মা–বাবারা। অপর্ণা হালদার জানান, ভবিষ্যতেও তিনি বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

2026-01-01

বয়স্ক ভোটার, BLA-2 ও পরিযায়ী শ্রমিক তিন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনকে চেপে ধরবে তৃণমূল।

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ২৮ ডিসেম্বর: ভোটার তালিকা সংশোধন ও শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে আগামিকাল সোমবার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের একটি প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভোটারদের হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সরব হবে বলে জানা গিয়েছে।
তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, কমিশনের সামনে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হবে। প্রথমত, বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের প্রসঙ্গ। তৃণমূলের প্রশ্ন, যখন বয়স্ক ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট গ্রহণ করা সম্ভব, তখন কেন তাঁদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করা হচ্ছে না। শারীরিকভাবে চলাফেরা করতে অক্ষম ভোটারদের দূরের শুনানি কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলবে দল।
দ্বিতীয়ত, শুনানি প্রক্রিয়ায় বিএলএ-২দের উপস্থিতি নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা না থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে। তৃণমূলের দাবি, মৌখিক বা হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু লিখিত বিজ্ঞপ্তি নেই।
তৃতীয়ত, পরিযায়ী শ্রমিকদের শুনানির জন্য ডাকার বৈধতা নিয়েও কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চাইবে তৃণমূল। কোন আইনের ভিত্তিতে তাঁদের তলব করা হচ্ছে এবং কেন ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থা নেই—এই প্রশ্নও তুলবে প্রতিনিধিদল।
এই সব অভিযোগের পাশাপাশি ভোটার তালিকায় থাকা একাধিক ত্রুটি ও অনিয়ম নিয়েও নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবদিহি চাইবে তৃণমূল নেতৃত্ব।

2025-12-28

রেকর্ড ভিড়ের আশঙ্কা, গঙ্গাসাগর মেলা ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাজ্য প্রশাসন।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ ডিসেম্বরঃ প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’। গঙ্গাসাগর মেলা শুরু হতে আর হাতে গোনা কয়েক দিন। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলা। চলতি বছরে কুম্ভ মেলা না থাকায় সাগরতটে রেকর্ডসংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। সেই ভিড় সামাল দিতে ও তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার।
মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার সাগরদ্বীপ পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও কানাইয়া কুমার রাও-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। কচুবেড়িয়া ও গঙ্গাসাগর পয়েন্টে গিয়ে মন্ত্রী প্রস্তুতির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয় মুড়িগঙ্গা নদীর ড্রেজিং এবং অস্থায়ী জেটি নির্মাণের কাজে।
পরিদর্শন শেষে সেচমন্ত্রী জানান, প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুড়িগঙ্গা নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। এর ফলে জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘ সময় ভেসেল পরিষেবা চালু রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ড্রোন নজরদারি, সিসিটিভি বসানো ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীর জন্য অতিরিক্ত যাত্রীনিবাস ও বাফার জোন তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও যাতায়াত—সব দিক মাথায় রেখেই প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’।

2025-12-23

দিনহাটা

রাজ্য শিশু–কিশোর উৎসবকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি দিনহাটায়।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ ডিসেম্বরঃ রাজ্য শিশু–কিশোর উৎসবকে সামনে রেখে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দিনহাটায়। আজ দিনহাটা সংহতি ময়দানে দেখা যায় উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে। জানা গেছে, আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই রাজ্য শিশু–কিশোর উৎসব।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিশু–কিশোর একাডেমি ও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ষোড়শ বর্ষের এই উৎসব। শিশু ও কিশোরদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা তুলে ধরতেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই মঞ্চ নির্মাণ, আলো, শব্দব্যবস্থা সহ বিভিন্ন পরিকাঠামোগত কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা নিয়মিত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছেন। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে উৎসব সম্পন্ন করতে প্রশাসন সম্পূর্ণ সজাগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশে মৌলবাদী হামলার প্রতিবাদে দিনহাটায় সিপিআই(এম) এর মিছিল ও প্রতিবাদ সভা।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ২২ ডিসেম্বর: বাংলাদেশে ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংখ্যালঘু এবং প্রগতিশীল মানুষের উপর ধারাবাহিক মৌলবাদী আক্রমণের প্রতিবাদে সিপিআই(এম)-এর উদ্যোগে সোমবার দিনহাটায় এক প্রতিবাদ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিনহাটা প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবন থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি চওড়াহাট ঘুরে দিনহাটা চৌপথীতে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন বর্ষীয়ান সিপিআই(এম) নেতা তারাপদ বর্মন ও দিলীপ সরকার। সভাপতিত্ব করেন দলের সম্পাদকমণ্ডলী সদস্য প্রবীর পাল। উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সদস্য ও যুব নেতা শুভ্রালোক দাস-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব।
বক্তারা দিপু দাসের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতবিরোধী কার্যকলাপ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান তোলেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, জামায়াত ইসলামি পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি অস্থির করছে। পাশাপাশি এপার বাংলায় আরএসএসের বিভাজনের রাজনীতিরও তীব্র সমালোচনা করা হয়।
সভা থেকে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও মানবাধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

নিজে হাতে ফর্ম পূরণ করে ভরসা বাড়িয়ে দিনহাটায় SIR সহায়তা শিবিরে মানুষের পাশে মন্ত্রী পুত্র সায়ন্তন।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ২২ নভেম্বর: দিনহাটায় সাধারণ মানুষের SIR ফর্ম সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূর করতে মাঠে নামলেন মন্ত্রী উদয়ন গুহের পুত্র ও কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন গুহ। শনিবার দুপুরে শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডসহ একাধিক এলাকায় দলীয় সহায়তা কেন্দ্রে হাজির হয়ে তিনি নিজে হাতে বহু নাগরিকের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেন।


ফর্ম নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আশঙ্কা থাকা মানুষদের একে একে ডেকে তিনি সহায়তা করেন। তাঁর এই সরাসরি উদ্যোগে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা দুটোই বেড়েছে। উপস্থিত বহু মানুষ জানান, নেতৃত্বের এমন ভূমিকা তাঁদের দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমিয়েছে।

রাজ্যজুড়ে SIR ফর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে তৃণমূলের তরফে ওয়ার্ডভিত্তিক সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সায়ন্তন বলেন, “ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাই আমরা চাই মানুষ আতঙ্কমুক্তভাবে ফর্ম পূরণ করুন। এটা শুধু দলের কাজ নয়, মানুষের প্রতি আমাদের দায়িত্ব।”

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃত্ব ও যুব তৃণমূল কর্মীরা। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিন দিনহাটার সমস্ত সহায়তা কেন্দ্র প্রতিদিনই খোলা থাকবে, যাতে সবাই নির্বিঘ্নে SIR ফর্ম জমা করতে পারেন।

রেল জেনারেল ম্যানেজারের হাতে দাবিপত্র জমা দিল দিনহাটা নাগরিক মঞ্চ ও প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন।

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ নভেম্বরঃ নিউ কোচবিহার স্টেশন পরিদর্শনে এসে নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের হাতে একগুচ্ছ দাবি সম্বলিত স্মারকপত্র তুলে দিল দিনহাটা নাগরিক মঞ্চ এবং দিনহাটা–কোচবিহার রেল প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ গৌহাটি মালিগাঁও থেকে জেনারেল ম্যানেজার নিউ কোচবিহার স্টেশনে পৌঁছাতেই দাবিপত্র প্রদান ও আলোচনার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
দিনহাটা নাগরিক মঞ্চের সম্পাদক জয়গোপাল ভৌমিক জেনারেল ম্যানেজারের হাতে স্মারকপত্রটি তুলে দেন এবং দিনহাটা–কোচবিহার রেল পরিষেবা সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মারকপত্রে সম্ভাব্য ট্রেন বৃদ্ধি, সময়সূচির উন্নতি, স্টেশনে যাত্রী–সুবিধা বাড়ানো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে নজর দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
আলোচনার পর জেনারেল ম্যানেজার দাবিগুলি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, যাত্রীদের সুবিধা ও এলাকার রেল পরিকাঠামোর উন্নতির বিষয়ে রেলওয়ে সর্বদা সচেতন, এবং উত্থাপিত দাবিগুলি খতিয়ে দেখা হবে।
এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইমন বিশ্বাস, হীরক রায়, সুমন বিশ্বাসসহ উভয় সংগঠনের অন্যান্য প্রতিনিধিরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দিনহাটার উন্নত রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাওয়া হবে।

মহাকাল হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক-অভিভাবিকাদের নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ১৮ নভেম্বর: মহাকাল হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক ও অভিভাবিকাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা। ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাগত অগ্রগতি, উপস্থিতি, শৃঙ্খলা এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন চলমান কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করতে এদিনের এই সভার আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সাথে ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিক্ষকরা জানান, বর্তমান শিক্ষাবর্ষে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার মান আরও উন্নত করতে বিদ্যালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নিয়মিত ক্লাস, অতিরিক্ত পাঠদান, বিষয়ভিত্তিক পরামর্শ, এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি—এসব বিষয় নিয়ে অভিভাবকদের বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, সময়মতো স্কুলে আসা এবং হোমওয়ার্ক সম্পূর্ণ করার বিষয়েও বিশেষ জোর দেওয়া হয়। অভিভাবক-অভিভাবিকাদের পক্ষ থেকেও বিদ্যালয়ের উন্নতি, নিরাপত্তা এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে একাধিক মতামত ও পরামর্শ উঠে আসে। অনেকেই বিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরিকাঠামোগত উন্নতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন, আবার কিছু বিষয়ের প্রতি নজর দেওয়ার অনুরোধও জানান। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দেয় যে, অভিভাবকদের মতামত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সামগ্রিকভাবে এদিনের সভা শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি সুস্থ যোগাযোগের সেতুবন্ধন তৈরি করল।

কোচবিহার

নতুন বছরের মানবিক উপহার। রবীন্দ্রনাথ বৃদ্ধাশ্রমে স্মার্ট টিভি তুলে দিলেন ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’ শংকর রায় ও অপর্ণা হালদার।

Thursday : উত্তরের হাওয়া, ১জানুয়ারি: ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়লেন কোচবিহারের ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’ শংকর রায় ও উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর নিবাসী অপর্ণা হালদার। তাঁদের যৌথ উদ্যোগে কোচবিহারের মরিচবাড়ি এলাকায় অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ বৃদ্ধাশ্রমে একটি ৩২ ইঞ্চির স্মার্ট টিভির ব্যবস্থা করা হলো।

কিছুদিন আগে শীতের কম্বল বিতরণ করতে গিয়ে শংকর রায় লক্ষ্য করেন, বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিক মা–বাবারা নীরবে সময় কাটাচ্ছেন, বিনোদনের কোনও ব্যবস্থাই নেই। জিজ্ঞাসা করতেই তাঁরা জানান, আশ্রমে টিভি নেই। সেই মুহূর্তে শংকর রায় ফেসবুক লাইভে এসে সকলের কাছে অনুরোধ জানান—কেউ যদি একটি টিভির ব্যবস্থা করেন, তাহলে বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা উপকৃত হবেন।

এই লাইভ ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়। ভিডিওটি দেখেই অপর্ণা হালদার শংকর রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আর্থিক সহায়তা পাঠান। সেই অর্থে আস্থা ফাউন্ডেশনের সদস্যদের সহযোগিতায় নতুন বছরের প্রথম দিন বৃদ্ধাশ্রমে টিভিটি স্থাপন করা হয়। টিভির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে কেক কেটে বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন সকলে।

টিভিতে রবীন্দ্রসংগীত ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখে খুশিতে মুখর হয়ে ওঠেন বৃদ্ধাশ্রমের মা–বাবারা। অপর্ণা হালদার জানান, ভবিষ্যতেও তিনি বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

SIR প্রকল্পে জটিলতা, কোচবিহারে প্রশাসন পশ্চিমবঙ্গ নস্যসেখ উন্নয়ন বোর্ডের মুখোমুখি বৈঠক।

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, ১০ ডিসেম্বর: কোচবিহারে SIR–সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কোচবিহার জেলার জেলাশাসক রাজু মিশ্র ও এডিএম জামিলা ফাতেমা জেবার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পশ্চিমবঙ্গ নস্য শেখ উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. বজলে রহমান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল বাতেন, নুর ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, রিয়াজুল হক-সহ উন্নয়ন বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা। আলোচনায় SIR প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন স্তরে সৃষ্টি হওয়া সমস্যা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্থাপিত বিষয়গুলি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী, রাসমেলার মাঠে ঐতিহাসিক জনসভার প্রস্তুতি তুঙ্গে।

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ৩০ নভেম্বরঃ রাজ্যজুড়ে SIR–এর উত্তেজনার মধ্যেই কোচবিহারের রাজনৈতিক আবহ আরও গরম হতে চলেছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর কোচবিহারের রাসমেলার মাঠে জনসভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি জানিয়েছেন, এবারের রাসমেলা জনসভাকে “ঐতিহাসিক” করে তুলতেই প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে সভা।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর গাজোল কলেজ মাঠে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। একের পর এক জেলায় তৃণমূলনেত্রীর সভা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঘুঁটি সাজাতে চান তিনি নিজেই।
কোচবিহার জেলায় সংগঠনে নতুন উদ্যম আনতেই এবার জোর দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলা জুড়ে ফাঁকফোকর বুজিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে মরিয়া নেতৃত্ব। অন্যদিকে, পিছিয়ে নেই বিজেপিও—SIR প্রক্রিয়া কী প্রভাব ফেলবে সীমান্তবর্তী কোচবিহারের রাজনীতিতে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চরম কৌতূহল।
রাজ্যজুড়ে SIR–এর চাপ ও বিতর্ক চললেও, মুখ্যমন্ত্রীর এই সভাকে ঘিরে কোচবিহারের তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। দলের মতে—মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি সংগঠনে “নতুন প্রাণ” দেবে।

রেল জেনারেল ম্যানেজারের হাতে দাবিপত্র জমা দিল দিনহাটা নাগরিক মঞ্চ ও প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন।

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ নভেম্বরঃ নিউ কোচবিহার স্টেশন পরিদর্শনে এসে নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের হাতে একগুচ্ছ দাবি সম্বলিত স্মারকপত্র তুলে দিল দিনহাটা নাগরিক মঞ্চ এবং দিনহাটা–কোচবিহার রেল প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ গৌহাটি মালিগাঁও থেকে জেনারেল ম্যানেজার নিউ কোচবিহার স্টেশনে পৌঁছাতেই দাবিপত্র প্রদান ও আলোচনার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
দিনহাটা নাগরিক মঞ্চের সম্পাদক জয়গোপাল ভৌমিক জেনারেল ম্যানেজারের হাতে স্মারকপত্রটি তুলে দেন এবং দিনহাটা–কোচবিহার রেল পরিষেবা সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মারকপত্রে সম্ভাব্য ট্রেন বৃদ্ধি, সময়সূচির উন্নতি, স্টেশনে যাত্রী–সুবিধা বাড়ানো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে নজর দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
আলোচনার পর জেনারেল ম্যানেজার দাবিগুলি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, যাত্রীদের সুবিধা ও এলাকার রেল পরিকাঠামোর উন্নতির বিষয়ে রেলওয়ে সর্বদা সচেতন, এবং উত্থাপিত দাবিগুলি খতিয়ে দেখা হবে।
এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইমন বিশ্বাস, হীরক রায়, সুমন বিশ্বাসসহ উভয় সংগঠনের অন্যান্য প্রতিনিধিরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দিনহাটার উন্নত রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাওয়া হবে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে কোচবিহারে পরখ ওয়ার্কশপ। উপস্থিত জেলার ২৬ সার্কেলের শিক্ষক ও পরিদর্শকরা।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ১১ নভেম্বর: আজ কোচবিহার রেলঘুমটি সংলগ্ন DIET প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ “পরখ ওয়ার্কশপ”, যার মূল উদ্দেশ্য জেলার বিদ্যালয়গুলিতে তৃতীয়, ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মানোন্নয়ন ঘটানো। রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশনায় আয়োজিত এই একদিনের কর্মশালায় অংশ নেন জেলার ২৬টি সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক, হাইস্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা। প্রতিটি সার্কেল থেকে একজন অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক, দুইজন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক—এইভাবে মোট ১০৪ জন শিক্ষাবিদ এই ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেন। ওয়ার্কশপে শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ মডিউল, পাঠদানের নতুন কৌশল এবং শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়নের উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়। আয়োজকরা জানান, এই কর্মশালা শিক্ষকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যা ভবিষ্যতে শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

রাজ্য

পুইনানের বিশ্ব ইজতেমায় উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল, বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা।

Friday : উত্তরের হাওয়া, ২ জানুয়ারি: হুগলি জেলার পুইনানে আয়োজিত ঐতিহাসিক ধর্মীয় মহাসম্মেলন তথা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিল উত্তরবঙ্গের এক বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই পুণ্য সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক, মাথাভাঙ্গা হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেন, রিয়াজুল হক সহ উত্তরবঙ্গের আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

বিশাল আয়োজন ও লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ইজতেমাকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। সমগ্র দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের জমায়েত দেখে অভিভূত হন উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, “জীবনের এই পর্যায়ে এসে এত বিশাল ইজতেমায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। এখানে ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা, মানবতার আদর্শ ও বিশ্ব শান্তির বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে, যা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক বলেন, এই ধরনের ধর্মীয় সমাবেশ কেবল আধ্যাত্মিক চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের মধ্যে মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের মূল্যবোধ গড়ে তোলে। তাঁর মতে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় রাখাই এই ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন,“আমরা এখান থেকে বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে ফিরতে চাই। এই পুণ্য সমাবেশের অংশ হতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি।”

পুইনানের এই বিশ্ব ইজতেমায় আয়োজিত বিভিন্ন বয়ানে ইসলাম ধর্মের মূল শিক্ষা, মানুষের সেবা, নৈতিকতা ও বিশ্ব শান্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উত্তরবঙ্গ থেকে আগত এই প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি ইজতেমার তাৎপর্যকে আরও গভীরতা দিয়েছে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশের এক শক্তিশালী যোগসূত্র স্থাপন করেছে।

বয়স্ক ভোটার, BLA-2 ও পরিযায়ী শ্রমিক তিন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনকে চেপে ধরবে তৃণমূল।

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ২৮ ডিসেম্বর: ভোটার তালিকা সংশোধন ও শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে আগামিকাল সোমবার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের একটি প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভোটারদের হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সরব হবে বলে জানা গিয়েছে।
তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, কমিশনের সামনে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হবে। প্রথমত, বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের প্রসঙ্গ। তৃণমূলের প্রশ্ন, যখন বয়স্ক ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট গ্রহণ করা সম্ভব, তখন কেন তাঁদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করা হচ্ছে না। শারীরিকভাবে চলাফেরা করতে অক্ষম ভোটারদের দূরের শুনানি কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলবে দল।
দ্বিতীয়ত, শুনানি প্রক্রিয়ায় বিএলএ-২দের উপস্থিতি নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা না থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে। তৃণমূলের দাবি, মৌখিক বা হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু লিখিত বিজ্ঞপ্তি নেই।
তৃতীয়ত, পরিযায়ী শ্রমিকদের শুনানির জন্য ডাকার বৈধতা নিয়েও কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চাইবে তৃণমূল। কোন আইনের ভিত্তিতে তাঁদের তলব করা হচ্ছে এবং কেন ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থা নেই—এই প্রশ্নও তুলবে প্রতিনিধিদল।
এই সব অভিযোগের পাশাপাশি ভোটার তালিকায় থাকা একাধিক ত্রুটি ও অনিয়ম নিয়েও নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবদিহি চাইবে তৃণমূল নেতৃত্ব।

রেকর্ড ভিড়ের আশঙ্কা, গঙ্গাসাগর মেলা ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাজ্য প্রশাসন।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ ডিসেম্বরঃ প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’। গঙ্গাসাগর মেলা শুরু হতে আর হাতে গোনা কয়েক দিন। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলা। চলতি বছরে কুম্ভ মেলা না থাকায় সাগরতটে রেকর্ডসংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। সেই ভিড় সামাল দিতে ও তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার।
মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার সাগরদ্বীপ পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও কানাইয়া কুমার রাও-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। কচুবেড়িয়া ও গঙ্গাসাগর পয়েন্টে গিয়ে মন্ত্রী প্রস্তুতির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয় মুড়িগঙ্গা নদীর ড্রেজিং এবং অস্থায়ী জেটি নির্মাণের কাজে।
পরিদর্শন শেষে সেচমন্ত্রী জানান, প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুড়িগঙ্গা নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। এর ফলে জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘ সময় ভেসেল পরিষেবা চালু রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ড্রোন নজরদারি, সিসিটিভি বসানো ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীর জন্য অতিরিক্ত যাত্রীনিবাস ও বাফার জোন তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও যাতায়াত—সব দিক মাথায় রেখেই প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’।

শীতের উত্তাল তিস্তায় রিভার র‍্যাফ্টিং মহড়ায় দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ভারতীয় সেনা জওয়ানের।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ ডিসেম্বরঃ শীতের উত্তাল তিস্তায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক ভারতীয় সেনা। রিভার র‍্যাফ্টিং প্রশিক্ষণ চলাকালীন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হয় ল্যান্সনায়েক রাজশেখরের। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গ–সিকিম সীমান্তের কালিম্পং জেলার তারখোলা এলাকায়। তিনি থার্টি থ্রি কোরের অধীন ১৯১ আর্টিলারি রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন।
সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন বছরের শুরুতে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি হিসেবে বরদাং থেকে রংপু মাইনিং পর্যন্ত রিভার র‍্যাফ্টিং মহড়া চলছিল। রংপু মাইনিং এলাকার কাছে একটি সেতুর নিচে পৌঁছনোর সময় বিপত্তি ঘটে। ২০২৩ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই সেতুর ভাঙা লোহার অংশ জলের নিচে পড়ে ছিল। দ্রুত স্রোতের মধ্যে ভেলাটি সেই ধ্বংসাবশেষে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়।
প্রবল স্রোতে সহকর্মীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তলিয়ে যান রাজশেখর। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করে সেনাবাহিনী। পরে উদ্ধারকারী দলের তল্লাশিতে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে সংঘর্ষেই দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।

কাল প্রকাশিত হচ্ছে SIR-এর খসড়া ভোটার তালিকা, নাম আছে কি না দেখবেন যেভাবে!

Monday : উত্তরের হাওয়া, ১৫ ডিসেম্বরঃ রাত পোহালেই বিশেষ সারাংশ সংশোধন (SIR)-এর আওতায় খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে চলেছে। আগামীকাল বেলা ১২টার মধ্যেই রাজ্যজুড়ে এই খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই জেলা শাসকের দফতর থেকে আজই বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) হাতে খসড়া তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে।

খসড়া ভোটার তালিকা দেখা যাবে voter.eci.gov.in, ইসিআই নেট, সংশ্লিষ্ট BLO অথবা বুথে উপস্থিত BLO-দের কাছ থেকে। রাজনৈতিক দলগুলি সিইও দফতর থেকে সফট কপি এবং জেলা দফতর থেকে হার্ড কপি পাবে। এছাড়াও BLO অ্যাপে এখনই দেখা যাচ্ছে মোট ভোটার সংখ্যা ও কতজনের নাম বাদ যেতে চলেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, খসড়া তালিকায় এবার ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩১ জন ভোটারের নাম প্রকাশিত হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই তালিকা প্রিন্ট করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যদি কারও নাম বাদ যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বুথ থেকে ৬ নম্বর ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে।

এর সঙ্গে ৮ নম্বর অ্যানেক্স ফর্ম, ঠিকানার প্রমাণপত্র ও জন্মের শংসাপত্র জমা দিতে হবে। নাম বাদ যাওয়ার ক্ষেত্রে যাঁর নামে শুনানির নোটিস যাবে, তাঁকেই ব্যক্তিগতভাবে শুনানিতে হাজির হতে হবে। নাম যাচাই নিয়ে তাই ভোটারদের এখনই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে নির্বাচন দফতর।

দেশ

রেকর্ড ভিড়ের আশঙ্কা, গঙ্গাসাগর মেলা ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাজ্য প্রশাসন।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ ডিসেম্বরঃ প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’। গঙ্গাসাগর মেলা শুরু হতে আর হাতে গোনা কয়েক দিন। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলা। চলতি বছরে কুম্ভ মেলা না থাকায় সাগরতটে রেকর্ডসংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। সেই ভিড় সামাল দিতে ও তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার।
মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার সাগরদ্বীপ পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও কানাইয়া কুমার রাও-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। কচুবেড়িয়া ও গঙ্গাসাগর পয়েন্টে গিয়ে মন্ত্রী প্রস্তুতির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয় মুড়িগঙ্গা নদীর ড্রেজিং এবং অস্থায়ী জেটি নির্মাণের কাজে।
পরিদর্শন শেষে সেচমন্ত্রী জানান, প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুড়িগঙ্গা নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। এর ফলে জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘ সময় ভেসেল পরিষেবা চালু রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ড্রোন নজরদারি, সিসিটিভি বসানো ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীর জন্য অতিরিক্ত যাত্রীনিবাস ও বাফার জোন তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও যাতায়াত—সব দিক মাথায় রেখেই প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’।

তিন মাসে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সমস্যার সমাধানের আশ্বাস নির্বাচন কমিশনের

Friday : উত্তরের হাওয়া, ৭ মার্চ: ভোটার তালিকায় ‘ভূতুড়ে ভোটার’ বিতর্কের মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, তিন মাসের মধ্যে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সমস্যার সমাধান করবে তারা। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছেন, বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে ভোটার তালিকায় ভূতুড়ে ভোটার ঢোকাচ্ছে। তার দাবি, প্রতিটি বিধানসভায় ২০-৩০ হাজার ভুয়া ভোটার যুক্ত করা হচ্ছে। মমতা বলেন, "বাংলা বহিরাগতদের সম্মান করতে জানে, কিন্তু বহিরাগতদের দিয়ে বাংলা দখল করতে দেবে না।" এদিকে, নির্বাচন কমিশনের সাফাই, একই এপিক নম্বর থাকলেই কোনো ভোটার ভুয়া প্রমাণিত হয় না। কারণ, রাজ্য ও ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী ভোটারের ঠিকানা, বিধানসভা কেন্দ্র ও ভোট কেন্দ্র আলাদা হতে পারে। তবুও, এই সমস্যা সমাধানে কমিশন তিন মাস সময় নিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, দিল্লির নির্বাচন কমিশন অফিসে বসে আধার কার্ডের তথ্য কারসাজির মাধ্যমে বাংলার ভোটারদের নামের সঙ্গে অন্য রাজ্যের ভোটারদের নাম যুক্ত করা হচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর থাকা মানেই কারচুপি নয়, তবে বিভ্রান্তি দূর করতে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হচ্ছে, যেখানে তৃণমূল এটিকে ষড়যন্ত্র বলছে, আর কমিশন এটিকে প্রশাসনিক জটিলতা হিসেবে দেখছে।

ভেঙে পড়ল বুলেট ট্রেনের জন্য নির্মীয়মাণ সেতু, বহু মানুষের চাপা পড়ার আশঙ্কা।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ৫ নভেম্বেরঃ ভয়াবহ দুর্ঘটনা! ভেঙে পড়ল বুলেট ট্রেনের জন্য নির্মীয়মাণ সেতু, বহু মানুষের চাপা পড়ার আশঙ্কা। গুজরাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তৈরির সময়েই ভেঙে পড়ল বুলেট ট্রেন চলাচলের জন্য নির্মীয়মান সেতু। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের আনন্দে। ভাসাড়ের কাছে শ্রমিকরা বুলেট ট্রেনের জন্য সেতু নির্মাণের কাজ করছিলেন। সেই সময়ই হঠাৎ ব্রিজটি ভেঙে পড়ে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আনন্দ পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং প্রশাসনিক কর্তারা উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে ক্রেন এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ওই সময় বেশ কিছু শ্রমিক সিমেন্টের স্ল্যাবগুলির নীচে ছিলেন। সেতুটি ভেঙে পড়ায় বেশ কিছু শ্রমিক সেখানে আটকা থাকতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ব্রিজের ভেঙে পড়া অংশের নীচ থেকে ইতিমধ্যেই একজন শ্রমিককে উদ্ধার করে নিয়ে এসে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে, আরও বেশ কয়েক জন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন।

স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন পঞ্চাশ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হল পঁচাত্তর হাজার টাকা

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ জুলাই: অপরিবর্তিত রইল আয়কর, আয়কর কাঠামোর আরও সরলীকরণের আশ্বাস কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। বেতনভোগী সাধারণ নাগরিক এখনও পর্যন্ত নতুন করব্যবস্থাকে সেভাবে গ্রহণ করেননি। বিশেষ করে বেতন পান যাঁরা। তাই ২৫ লক্ষের বেশি আয়ের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কর আনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এতে কেনাকাটাও বাড়বে, সঙ্গে মানুষ সঞ্চয়ের দিকেও এগেবোন বলে ধারণা অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। ইনকাম ট্যাক্স নিয়ে বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর। নতুন কাঠামোয় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হল ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়া এমন কিছু পরিবর্তন করা হল যাতে, নতুন আয়কর কাঠামোয় ১৭ হাজার ৫০০ টাকা লাভ করতে পারবেন করদাতারা। নতুন আয়কর কাঠামোয় কর জমা দিলে , ৩ থেকে ৭ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ৫% আয়কর দিতে হবে। ৭ থেকে ১০ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ১০% আয়কর দিতে হবে। ১০ থেকে ১২ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ১৫% আয় দিতে হবে। ১২ থেকে ১৫ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ২০% আয়কর দিতে হবে। ১৫ লক্ষের বেশি আয়ে ৩০% কর। পুরনো ট্যাক্স কাঠামোয় আলাদ করে কোনও পরিবর্তনও করা হল না, সুরাহা করা হল না। সেইসঙ্গে ঘোষণা, সময়ে TDS না দিলে অপরাধ নয়। এছাড়া ক্যাপিট্যাল গেনে ছাড় ১ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে করা হল ২.২৫ লক্ষ। বাজেটে ই-কমার্সের উপর TDS কমানোর ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। আয়কর কাঠামোর আরও সরলীকরণের আশ্বাস দিলেন সীতারমণ। দেরিতে আয়কর জমা দিলে তুলনায় কম জরিমানা। জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী।

এডিজি বিএসএফ গুয়াহাটি সীমান্তের অধীনে কোচবিহার আন্তর্জাতিক সীমান্তের অপারেশনাল প্রস্তুতির পর্যালোচনা

Friday : উত্তরের হাওয়া, ২৯ মার্চঃ শ্রী রবি গান্ধী, ADG, পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের বিএসএফ গোপালপুর সেক্টর কোচবিহার সফরের সময়, ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বিএসএফ-এর অপারেশনাল প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন আজ। এডিজি বিএসএফ সেক্টর হেড কোয়ার্টার বিএসএফ গোপালপুর পরিদর্শন করেন যেখানে তাকে এলাকার বর্তমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। তিনি বিএসএফ-এর গোপালপুর ও কোচবিহার সেক্টরের দায়িত্বের এলাকায় বিদ্যমান নদীপথ এবং বেড়িবিহীন সীমান্তের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন। শ্রী রবি গান্ধী, ADG সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন মোতায়েন করা বর্ডারম্যানদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে সীমানা রক্ষায় তাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং তাদের নিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন।

বিশ্ব

রাশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, জাপানে আছড়ে পড়ল সুনামি! তীব্রতা ৮.৮ রিখটার, সতর্কতা আমেরিকাতেও।

Wednesday : রাশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, জাপানে আছড়ে পড়ল সুনামি! তীব্রতা ৮.৮ রিখটার, সতর্কতা আমেরিকাতেও। উত্তরের হাওয়া, ৩০ জুলাই ২০২৫: রাশিয়ার পূর্ব প্রান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল গোটা কামচাটকা উপদ্বীপ। বুধবার সকালে রিখটার স্কেলে ৮.৮ মাত্রার শক্তিশালী এই কম্পনের জেরে তীব্র সুনামি আছড়ে পড়েছে জাপানের হোক্কাইডো উপকূলে। বিশাল ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল প্রায় ৪ মিটার। ঘটনায় এখনো পর্যন্ত প্রাণহানির খবর না মিললেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল জুড়ে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা USGS জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৯.৩ কিলোমিটার গভীরে। এত গভীরতায় হওয়া সত্ত্বেও ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল বিপজ্জনক। কামচাটকা, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও আশেপাশের উপকূলবর্তী অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়। রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার মানুষ। বহু বাড়ির দেওয়াল ও ছাদে ফাটল দেখা গেছে, বিদ্যুৎ ও মোবাইল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে।
জাপানে ইতিমধ্যেই উপকূলবর্তী এলাকায় জারি হয়েছে সুনামি সতর্কতা। প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা জানিয়েছেন, “সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”
এই ঘটনায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে আমেরিকার পশ্চিম উপকূল, আলাস্কার আলেউশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন, ওয়াশিংটন ও হাওয়াই-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়।
আন্তর্জাতিক সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চল খালি করা হচ্ছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের সময় বাড়ির আসবাব পড়ে যাচ্ছে, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, লোকজন রাস্তায় ছোটাছুটি করছে। তীব্রতা ও বিস্তৃতি বিচার করে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

খেলা

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান দিনহাটা শহরে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজের সূচনা

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২জানুয়ারি: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান দিনহাটা শহরে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজের সূচনা হলো। মঙ্গলবার শহরের পাইওনিয়ার ক্লাব প্রাঙ্গনে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজে সূচনা করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। পাশাপাশি বয়েজ ক্লাব এলাকা থেকে চড়ক মেলা মাঠ পর্যন্ত হাইড্রেন তৈরির কাজের সূচনাও হয় এদিন। জানা গেছে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৯৬ টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে এই দুটি প্রকল্প উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের সহযোগিতায়। এদিনের অনুষ্ঠানে সেখানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ ভট্টাচার্য, দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান গৌরীশংকর মাহেশ্বরী, ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরী, পাইওয়নিয়ার ক্লাবের সভাপতি ডঃ অমল বসাক সহ আরো অন্যান্যরা। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী উদয়ন গুহ জানান, ছয় মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে এই মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম। খেলাধুলার বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা মিলবে সেখানে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এই মিনি স্টেডিয়াম পুরোপুরি ভাবে তৈরি করে দিলেও দেখভালের দায়িত্বে থাকবে ক্লাব কতৃপক্ষের এমনটাই তিনি জানিয়েছেন। বলা বাহুল্য, ১৯৮৮ সালে দিনহাটা শহর সংলগ্ন পুঁটিমারিতে স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ৬ একর জমি কেনা হয়। তখন রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার। রাজ্যের যুব কল্যাণ দফতরের দেওয়া আর্থিক বরাদ্দে ওই জমি কেনা হয়। সরকারি নিয়ম মেনেই মহকুমা ক্রীড়া সংস্থা এবং দিনহাটা–১ পঞ্চায়েত সমিতির মালিকাধীন বলে জমির ‘দলিল’ তৈরি হয়।তারপর প্রায় ৩৪ বছরেরও বেশি সময়কেটে গিয়েছে। সীমানা পাঁচিল ছাড়া স্টেডিয়াম তৈরির কিছুই হয়নি। তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হলেও কেউই সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। আদৌ কি সেই স্টেডিয়াম তৈরি হবে সেই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে ঠিক তখনই দিনহাটা শহরের বুকে মিনি স্টেডিয়াম গড়ে তোলার কাজের সূচনা হলো এদিন। পুটিমারি সংলগ্ন এলাকায় সেই স্টেডিয়ামের বিষয় নিয়ে এদিন মন্ত্রী উদয়ন গুহ কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, স্টেডিয়াম আর মিনি স্টেডিয়ামের মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য রয়েছে। সে সময় যারা সেখানে স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা করেছিলেন সেই সময় হয়তো পরিকল্পনার খানিকটা খামতি ছিল। সেখানে গাড়ি পার্কিং, অ্যাপ্রোচ, প্রবেশ পথের কোনরকম চিন্তাভাবনা হয়নি। সব মিলিয়ে একটা ঘাটতি থেকে গেছে। তবে মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি ক্ষেত্রে সব কিছু ব্যবস্থায় থাকছে বলেও তিনি জানান। স্বাভাবিকভাবেই মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম দিনহাটায় তৈরি হচ্ছে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন মহলে খুশির হাওয়া এবং ক্রীড়া প্রেমীরা অত্যন্ত খুশি এমনটাই জানা গেছে।

তানিয়াকে সম্বর্ধনা দিল কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ৪জুলাই: কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সম্বর্ধিত করা হয় ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের সদস্যা কুমারী তানিয়া কামতি কে। উল্লেখ্য দিনহাটার মেয়ে তানিয়া কামতি একজন অতি সাধারণ ট্যাক্সি ড্রাইভার এর মেয়ে। নিজের অধ্যবসায় ও সাধনার ফলে আজকে সে জাতীয় ফুটবল দলে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত সাফ কেমসে ভারতীয় মহিলা ফুটবল এর হয়ে অংশ নিয়েছিল তানিয়া কামতি। এই আন্তর্জাতিক স্তরের খেলায় তানিয়ার পারফরম্যান্স দিনহাটা কোচবিহার এমনকি পশ্চিমবাংলা তথা ভারতের মান উঁচু করে। আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটায় কোচবিহারের স্টেডিয়াম সংলগ্ন ডিস্ট্রিক স্পোর্টস এসোসিয়েশনের সভাকক্ষে তাকে ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হয়। এই মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুব্রত দত্ত। সহ-সভাপতি অমলেশ সরকার, সহ-সভাপতি তপন ঘোষ এবং সহ-সভাপতি অশোক হাজরা।

রাজনীতি

৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী, রাসমেলার মাঠে ঐতিহাসিক জনসভার প্রস্তুতি তুঙ্গে।

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ৩০ নভেম্বরঃ রাজ্যজুড়ে SIR–এর উত্তেজনার মধ্যেই কোচবিহারের রাজনৈতিক আবহ আরও গরম হতে চলেছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর কোচবিহারের রাসমেলার মাঠে জনসভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি জানিয়েছেন, এবারের রাসমেলা জনসভাকে “ঐতিহাসিক” করে তুলতেই প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে সভা।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর গাজোল কলেজ মাঠে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। একের পর এক জেলায় তৃণমূলনেত্রীর সভা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঘুঁটি সাজাতে চান তিনি নিজেই।
কোচবিহার জেলায় সংগঠনে নতুন উদ্যম আনতেই এবার জোর দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলা জুড়ে ফাঁকফোকর বুজিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে মরিয়া নেতৃত্ব। অন্যদিকে, পিছিয়ে নেই বিজেপিও—SIR প্রক্রিয়া কী প্রভাব ফেলবে সীমান্তবর্তী কোচবিহারের রাজনীতিতে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চরম কৌতূহল।
রাজ্যজুড়ে SIR–এর চাপ ও বিতর্ক চললেও, মুখ্যমন্ত্রীর এই সভাকে ঘিরে কোচবিহারের তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। দলের মতে—মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি সংগঠনে “নতুন প্রাণ” দেবে।

মাথাভাঙায় বিজেপি BLA 2 কে মারধর ও গলায় জুতোর মালা পরানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

Thursday : উত্তরের হাওয়া, ৬ নভেম্বরঃ SIR এনুমেরেশন ফর্ম বিলির সময় চাঞ্চল্য ছড়াল মাথাভাঙা ১ ব্লকের পচাগড় পঞ্চায়েতের ২৩৯ নম্বর বুথে। অভিযোগ, ছাটখাটেরবাড়ি এলাকায় বিজেপির বুথ লেভেল এজেন্ট (BLA-2) নিভাশ দাসকে মারধর করে গলায় জুতোর মালা পরিয়ে এলাকায় ঘোরানো হয়। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। বিজেপির অভিযোগ, বি.এল.ও নিশিথ রায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন স্থানীয় নেতা পরিকল্পনা করে এই হেনস্থার ঘটনা ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মাথাভাঙা থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মুখ খুলবেন বুঝেশুনে: মন্ত্রিসভার বৈঠকে সহকর্মীদের কড়া বার্তা দিলেন মমতা

Friday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ সেপ্টেম্বরঃ দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সহকর্মী মন্ত্রীদের একাধিক বিষয়ে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “পুজোয় এলাকায় থাকুন, গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ান। শুধু দলের টাকায় নয়, নিজের সঞ্চয় থেকেও সাহায্য করুন।” একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, বর্তমানে রাজ্যের আর্থিক সঙ্কট রয়েছে। তাই সরকারি দপ্তরের টাকা খরচের ক্ষেত্রে মন্ত্রীদের আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক হতে হবে। অযথা অপচয় করলে তার জবাবদিহি করতে হবে বলেও তিনি জানান।

তবে মমতার সতর্কতা শুধু অর্থব্যবস্থাপনা নয়, বক্তব্য নিয়েও ছিল। তিনি মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, “আলটপকা মন্তব্য করবেন না। মুখ খুলবেন বুঝেশুনে। পরিস্থিতি বুঝে কথা বলুন। এলাকায় শান্তি বজায় রাখা এখন সবচেয়ে জরুরি।” তাঁর মতে, দলের ভিতরে মতানৈক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তা প্রকাশ্যে আনা যাবে না। সংবাদমাধ্যমের সামনে তো নয়ই। কারণ এতে দলের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তৃণমূলনেত্রীর এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ অতীতে দলের কিছু নেতা–বিধায়ক ও সাংসদের মন্তব্যে একাধিকবার দল অস্বস্তিতে পড়েছে। ডেবরা ও ভরতপুরের বিধায়ক দুই হুমায়ুন কবীর, মালদার সংগঠনিক সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সের মন্তব্য কিংবা অনুব্রত মণ্ডলের অডিয়ো ক্লিপ দলকে বিতর্কে ফেলেছিল। কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় কিছু নেতার মন্তব্য নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রীরা সরাসরি বেফাঁস মন্তব্য করেননি, তবুও নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তা সতর্ক সংকেত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে, মমতার বক্তব্যে স্পষ্ট—মন্ত্রীদের একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে, তেমনই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। দল ও সরকারের ভাবমূর্তি যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে, তার দায়ও তাঁদেরই নিতে হবে।

ভোটগণনার দিনেই বোমা-সন্ত্রাস, কালীগঞ্জে ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু। কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

Monday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ জুন: উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিনেই বোমা-সন্ত্রাসে কেঁপে উঠল নদিয়ার কালীগঞ্জ। সোমবার, ভোটগণনা চলাকালীন এলাকায় বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হল চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর। ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আলিফা আহমেদের বিপুল ব্যবধানে (৪৯ হাজারেরও বেশি ভোটে) জয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই মোলান্ডি এলাকায় শুরু হয় বিজয় মিছিল। সেই সময়েই সিপিএম সমর্থকের বাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় সকেট বোমা। অভিযোগ, সেই বিস্ফোরণেরই শিকার হয় মাত্র ১৩ বছরের এক স্কুলছাত্রী। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয়ে পড়ে সে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরেই এক্স (প্রাক্তন টুইটার) হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, > “এই বেদনাদায়ক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। নিহত ছাত্রীর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন দোষীদের দ্রুত খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।” পুলিশের পক্ষ থেকেও দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা। তবে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য, বিস্ফোরণটি হয়তো দুর্ঘটনাবশত হয়েছে এবং ছিটকে যাওয়া স্প্লিন্টারের আঘাতেই মেয়েটির মৃত্যু হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। একটি বিজয় মিছিল যে এমন মর্মান্তিক পরিণতি ডেকে আনতে পারে, তা ভাবতেও পারছেন না কেউ। রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিহত ছাত্রীর পরিবার, বিচার এবং শান্তির প্রত্যাশায় দিন গুনছে।

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রায় ৩৫০ পরিবার, শাসক শিবিরে অস্বস্তি।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ৫ মে: তৃণমূল কংগ্রেসকে বড় ধাক্কা দিয়ে প্রায় ১৫০টি পরিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন। রবিবার বিজেপির আয়োজিত এক যোগদান কর্মসূচিতে বিধায়ক মনোজ টিগ্গার হাত ধরে তাঁরা বিজেপির পতাকা তুলে নেন।
ফলে ডুয়ার্সের রাজনীতিতে বড়সড় পালাবদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নাগরাকাটা ব্লকের ধরণীপুর চা বাগানে চা শ্রমিকদের অভিযোগ, তৃণমূল দীর্ঘদিন ধরে প্রতিশ্রুতি দিলেও ডুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে মজুরি বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য পরিষেবা, আবাসন ও শিক্ষা-সহ মৌলিক সমস্যা এখনও রয়ে গিয়েছে। উন্নয়নের কোনও দিশা না পেয়ে তারা শাসকদলের প্রতি আস্থা হারিয়ে বিজেপিকে বেছে নিয়েছেন বলে জানান নতুন যোগদানকারীরা।
এই ব্যাপক দলবদলের ফলে রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। চা শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত হলেও, এই ধরনের গণযোগদান আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে শাসক শিবিরের কাছে বড় বার্তা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
বিধায়ক মনোজ টিগ্গা বলেন, “তৃণমূল চা শ্রমিকদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিছুই দেয়নি। মানুষ বুঝে গেছেন, উন্নয়নের জন্য বিজেপিই একমাত্র ভরসা।
এদিকে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব এই দলত্যাগকে গুরুত্ব না দিয়ে বলেছে, “এটি সাময়িক অসন্তোষ। মানুষ আবার ফিরবেন উন্নয়নের পথে।”
ডুয়ার্সের রাজনীতিতে এই পরিবর্তন আগামী দিনে আরও উত্তাপ ছড়াতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

রাশিফল

লাইফস্টাইল




Follow us on                  

About Us
uttorerhawa, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Dinhata, Cooch Behar
Call : 7076088024
WhatsApp : 7076088024
Email : uttorerhawa1985@gmail.com
Important Link
  • Disclaimer
  • Privacy Policy

  • Total Visitor : 2375614