Sunday 25 January 2026




সর্বশেষ













উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর হাত ধরে পথশ্রী -৪ প্রকল্পে কিশামত দশগ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে নতুন রাস্তার শুভ সূচনা।

উত্তরের হাওয়া, ২৪ জানুয়ারি: কিশামত দশগ্রামে গ্রামীণ উন্নয়নের পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের হাত ধরে কিশামত দশগ্রামে ২.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পথশ্রী ৪ প্রকল্পে পাকা রাস্তার শুভ সূচনা হয়। এই রাস্তা নির্মিত হবে কিশামত দশগ্রামের রিক্রিয়েশন ক্লাব থেকে মাসান পাট প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত।

দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ এই রাস্তাটির দাবিতে সরব ছিলেন। বর্ষার সময় কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের। নতুন পাকা রাস্তা নির্মিত হলে গ্রামবাসীদের যাতায়াত যেমন সহজ হবে, তেমনই পড়ুয়া, কৃষক, বয়স্ক মানুষ ও অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রেও বড় সুবিধা মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাস্তার শুভ সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য্য, জেলা পরিষদ সদস্য মুক্তি রায়, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ বিভাস অধিকারী, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রিংকু রায় সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি ও এলাকার সাধারণ মানুষ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই ধরনের রাস্তা নির্মাণ গ্রামের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Saturday

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর হাত ধরে পথশ্রী -৪ প্রকল্পে কিশামত দশগ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে নতুন রাস্তার শুভ সূচনা।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ২৪ জানুয়ারি: কিশামত দশগ্রামে গ্রামীণ উন্নয়নের পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের হাত ধরে কিশামত দশগ্রামে ২.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পথশ্রী ৪ প্রকল্পে পাকা রাস্তার শুভ সূচনা হয়। এই রাস্তা নির্মিত হবে কিশামত দশগ্রামের রিক্রিয়েশন ক্লাব থেকে মাসান পাট প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত।

দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ এই রাস্তাটির দাবিতে সরব ছিলেন। বর্ষার সময় কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের। নতুন পাকা রাস্তা নির্মিত হলে গ্রামবাসীদের যাতায়াত যেমন সহজ হবে, তেমনই পড়ুয়া, কৃষক, বয়স্ক মানুষ ও অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রেও বড় সুবিধা মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাস্তার শুভ সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য্য, জেলা পরিষদ সদস্য মুক্তি রায়, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ বিভাস অধিকারী, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রিংকু রায় সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি ও এলাকার সাধারণ মানুষ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই ধরনের রাস্তা নির্মাণ গ্রামের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

2026-01-24

দিনহাটায় বিজেপিতে ভাঙন, গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন সহ ১৫ জন মহিলা নেত্রীর তৃণমূলে যোগদান।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ জানুয়ারি: দিনহাটা মহকুমায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন একাধিক মহিলা নেত্রী ও কর্মী। বিজেপি নেত্রী গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন-সহ মোট ১৫ জন মহিলা সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন।

এদিন যোগদানকারীদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন দিনহাটা ওয়ান বি ব্লক তৃণমূল মহিলা সভানেত্রী ডালিয়া চক্রবর্তী এবং জেলা পরিষদ সদস্যা শ্রাবণী ঝা। তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ায়।

নবাগত সদস্যারা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজ, নারী ক্ষমতায়ন এবং জনমুখী রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হয়েই তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপির নীতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ায় তাঁরা দল ছাড়তে বাধ্য হন।

তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এই যোগদানের ফলে দিনহাটা মহকুমায় তৃণমূল কংগ্রেস দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত হবে এবং আগামী দিনে উন্নয়নের রাজনীতি আরও গতি পাবে।

2026-01-19

SIR শুনানির নামে হয়রানি ও আতঙ্কের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দ্বারস্থ বিএলও ও ভোটকর্মীরা।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৭ জানুয়ারি: SIR শুনানির প্রক্রিয়ায় বিএলও ও ভোটকর্মীদের উপর লাগাতার মানসিক চাপ, অপমান ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের কাছে ডেপুটেশন দিল ভোটকর্মি ও বিএলও ঐক্য মঞ্চ। সংগঠনের অভিযোগ, শুনানির নামে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করতে গিয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা কার্যত নরম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন।

ডেপুটেশনে জানানো হয়, বিভিন্ন জায়গায় যৌক্তিক অসঙ্গতি বা মানচিত্র সংক্রান্ত ত্রুটির দায় সরাসরি বিএলওদের উপর চাপানো হচ্ছে। ফলে তাঁদের অপমানের পাশাপাশি ভয়ভীতি ও হুমকির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একাধিক শুনানি কেন্দ্রে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ, যার জেরে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে কয়েকটি ব্লকে বিএলওদের গণপদত্যাগের ঘটনাও সামনে এসেছে।

ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে শুনানি কেন্দ্রে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, ছোটখাটো ত্রুটিতে শুনানি বন্ধ, ২০০২ সালের এসআর-ভুক্ত নাগরিক, বয়স্ক ও অসুস্থদের হয়রানি না করা, ভাঙচুরে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, মৃত ও অসুস্থ বিএলওদের ক্ষতিপূরণ এবং বিএলও ও অতিরিক্ত বিএলওদের ন্যায্য পারিশ্রমিক দেওয়ার দাবি জানানো হয়। সংগঠনের আশা, নির্বাচন কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এই সংকটজনক পরিস্থিতির সমাধান করবে।

2026-01-17

বেলডাঙায় খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত একাধিক সাংবাদিক, গুরুতর জখম সোমা মাইতি ও রঞ্জিত মাহাতো।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৭ জানুয়ারি: বেলডাঙায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন সাংবাদিক সোমা মাইতি (চৌধুরী), রঞ্জিত মাহাতো সহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক। ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় সোমা মাইতি ও রঞ্জিত মাহাতোকে বহরমপুর চরক স্কোয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দু’জনেরই মাথা, পিঠ, কোমর ও গলায় আঘাত লেগেছে। বর্তমানে জেলার নামকরা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং আগামী ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান জেলা শাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট পৌরসভার চেয়ারম্যান সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। তাঁরা চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহত সাংবাদিকদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

এই ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনাকে গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর আঘাত বলে মনে করছেন অনেকে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

2026-01-17

দিনহাটা

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর হাত ধরে পথশ্রী -৪ প্রকল্পে কিশামত দশগ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে নতুন রাস্তার শুভ সূচনা।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ২৪ জানুয়ারি: কিশামত দশগ্রামে গ্রামীণ উন্নয়নের পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের হাত ধরে কিশামত দশগ্রামে ২.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পথশ্রী ৪ প্রকল্পে পাকা রাস্তার শুভ সূচনা হয়। এই রাস্তা নির্মিত হবে কিশামত দশগ্রামের রিক্রিয়েশন ক্লাব থেকে মাসান পাট প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত।

দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ এই রাস্তাটির দাবিতে সরব ছিলেন। বর্ষার সময় কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের। নতুন পাকা রাস্তা নির্মিত হলে গ্রামবাসীদের যাতায়াত যেমন সহজ হবে, তেমনই পড়ুয়া, কৃষক, বয়স্ক মানুষ ও অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রেও বড় সুবিধা মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাস্তার শুভ সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য্য, জেলা পরিষদ সদস্য মুক্তি রায়, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ বিভাস অধিকারী, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রিংকু রায় সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি ও এলাকার সাধারণ মানুষ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই ধরনের রাস্তা নির্মাণ গ্রামের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দিনহাটায় বিজেপিতে ভাঙন, গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন সহ ১৫ জন মহিলা নেত্রীর তৃণমূলে যোগদান।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ জানুয়ারি: দিনহাটা মহকুমায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন একাধিক মহিলা নেত্রী ও কর্মী। বিজেপি নেত্রী গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন-সহ মোট ১৫ জন মহিলা সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন।

এদিন যোগদানকারীদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন দিনহাটা ওয়ান বি ব্লক তৃণমূল মহিলা সভানেত্রী ডালিয়া চক্রবর্তী এবং জেলা পরিষদ সদস্যা শ্রাবণী ঝা। তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ায়।

নবাগত সদস্যারা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজ, নারী ক্ষমতায়ন এবং জনমুখী রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হয়েই তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপির নীতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ায় তাঁরা দল ছাড়তে বাধ্য হন।

তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এই যোগদানের ফলে দিনহাটা মহকুমায় তৃণমূল কংগ্রেস দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত হবে এবং আগামী দিনে উন্নয়নের রাজনীতি আরও গতি পাবে।

নিগমনগর নিগমানন্দ মর্নিং ইউনিটের সাফল্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরি পেল ১৩ জন যুবক।

Friday : উত্তরের হাওয়া, ১৭ জানুয়ারি::নিগমনগর নিগমানন্দ মর্নিং ইউনিট থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরি পেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করলেন মোট ১৩ জন যুবক। এই সাফল্যে এলাকাজুড়ে খুশির হাওয়া বইছে। চাকরিপ্রাপ্তরা হলেন সীমান্ত বর্মন, মানস বর্মন, চন্দন বর্মন, সুদীপ বর্মন, সৌরভ বর্মন, ছোটন সরকার, ভার্গব বর্মন, মুর্শিদ আলম, রাজীব রায়, রাজ বর্মন, বিক্রম বর্মন, গোপাল বর্মন ও অসীম বর্মন।

এই কৃতিত্বকে স্বীকৃতি জানাতে আজ একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মর্নিং ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টা কৃষ্ণ কান্ত ভৌমিক, সভাপতি শিরীষ বর্মন, কোষাধ্যক্ষ প্রসেনজিত ভৌমিক। এছাড়াও মনোতোষ বর্মন, পাপাই বর্মন, কেশব সরকার, বিপ্লব বর্মন সহ বহু সদস্য ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

চাকুরী প্রাপ্তরা জানান, নিয়মিত শরীরচর্চা, শৃঙ্খলা ও মানসিক দৃঢ়তার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও আরও বেশি যুবককে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে নিগমানন্দ মর্নিং ইউনিট কাজ করে যাবে বলে জানানো হয়।

দিনহাটার কুর্শাহাট সীমান্তে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য এলাকায়।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১০ জানুয়ারি: শনিবার বিকেলে কোচবিহারের দিনহাটা দুই নম্বর ব্লকের কূর্শাহাট সীমান্ত এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরে দেহটি ভাসতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং সঙ্গে সঙ্গে দিনহাটা থানায় খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তিনি কীভাবে ওই এলাকায় এলেন, কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী—এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার জেরে গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

দিনহাটায় মহিলা তৃণমূলের ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ ও অভিষেকের সভা ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে।

Friday : উত্তরের হাওয়া, ৯ জানুয়ারি: তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে শুক্রবার দিনহাটা ভিলেজ–২ অঞ্চলের দ্বিতীয় খণ্ড ভাংণী এলাকায় ২৭১ নম্বর বুথে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভানেত্রী শুচিস্মিতা দত্ত শর্মা, দিনহাটা ওয়ান বি ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-নেত্রী ডালিয়া চক্রবর্তী সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্ব। গ্রামের বহু মহিলা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

নেতৃত্বরা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, নারী উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুফল তুলে ধরেন। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এদিনের কর্মসূচির মধ্য দিয়েই আগামী ১৩ই জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে সামনে রেখে প্রস্তুতি সভাও আয়োজন করা হয়। সভায় সংগঠনকে আরও মজবুত করার বার্তা দেওয়া হয়।

কোচবিহার

দিনহাটায় বিজেপিতে ভাঙন, গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন সহ ১৫ জন মহিলা নেত্রীর তৃণমূলে যোগদান।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ জানুয়ারি: দিনহাটা মহকুমায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন একাধিক মহিলা নেত্রী ও কর্মী। বিজেপি নেত্রী গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন-সহ মোট ১৫ জন মহিলা সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন।

এদিন যোগদানকারীদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন দিনহাটা ওয়ান বি ব্লক তৃণমূল মহিলা সভানেত্রী ডালিয়া চক্রবর্তী এবং জেলা পরিষদ সদস্যা শ্রাবণী ঝা। তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ায়।

নবাগত সদস্যারা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজ, নারী ক্ষমতায়ন এবং জনমুখী রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হয়েই তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপির নীতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ায় তাঁরা দল ছাড়তে বাধ্য হন।

তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এই যোগদানের ফলে দিনহাটা মহকুমায় তৃণমূল কংগ্রেস দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত হবে এবং আগামী দিনে উন্নয়নের রাজনীতি আরও গতি পাবে।

OBC সার্টিফিকেট ও SIR হয়রানির প্রতিবাদে মাথাভাঙ্গা এসডিও-কে ডেপুটেশন নস্য শেখ উন্নয়ন পরিষদের।

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, ১৪ জানুয়ারি: আজ মাথাভাঙ্গা মহকুমা শাসক দপ্তরে নস্য শেখ উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিকে সামনে রেখে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ওবিসি সার্টিফিকেটের রিভ্যালিডেশন ও নতুন সার্টিফিকেট ইস্যুর ক্ষেত্রে ওবিসি ভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। পাশাপাশি SIR ইস্যুতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নোটিশ ও হিয়ারিং প্রক্রিয়ায় বৈধ নাগরিক ও ভূমিপুত্রদের নাগরিকত্ব নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও দাবি তোলা হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে এসডিও জানান, তিনি একইসঙ্গে ERO হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মানতে বাধ্য। তবে হিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব সাধারণ মানুষকে কম হয়রানি করে নাগরিকত্ব সুরক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে। ওবিসি সার্টিফিকেট প্রসঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, আবেদনকারীদের কাগজপত্র ঠিক থাকলে দ্রুত সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্পাদক আমিনাল হক বলেন, ওবিসি ছাত্রছাত্রীদের দীর্ঘদিন ঘুরেও সার্টিফিকেট না পাওয়া অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একইসঙ্গে SIR-এর নামে নাগরিকত্ব নিয়ে হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।

মোয়ামারি অঞ্চলের বর আঠারো কোঠায় দু’টি পঞ্চশ্রী রাস্তার শুভ উদ্বোধন, খুশি এলাকাবাসী।

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ১১জানুয়ারি: আজ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মোয়ামারি অঞ্চলের বর আঠারো কোঠা এলাকায় দু’টি পথশ্রী রাস্তার শুভ উদ্বোধন করা হলো। এই নতুন রাস্তা দু’টির মাধ্যমে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার মানুষ উন্নত রাস্তার দাবিতে সরব ছিলেন, আজ সেই দাবি পূরণ হওয়ায় খুশির হাওয়া এলাকাজুড়ে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুমিতা বর্মন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কালীশঙ্কর রায়, নজরুল ইসলাম, ওয়াজুল হক এবং মোয়ামারি অঞ্চলের উপপ্রধান নুরি ইয়াসমিন সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃত্বরা।

বক্তারা জানান, এই পঞ্চশ্রী রাস্তা শুধুমাত্র যাতায়াতের সুবিধাই বাড়াবে না, কৃষি কাজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। উন্নত যোগাযোগের ফলে গ্রামাঞ্চলের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মত প্রকাশ করেন তাঁরা।

উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা জনপ্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান এবং আগামী দিনেও এ ধরনের উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দাবি তোলেন।

নতুন বছরের মানবিক উপহার। রবীন্দ্রনাথ বৃদ্ধাশ্রমে স্মার্ট টিভি তুলে দিলেন ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’ শংকর রায় ও অপর্ণা হালদার।

Thursday : উত্তরের হাওয়া, ১জানুয়ারি: ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়লেন কোচবিহারের ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’ শংকর রায় ও উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর নিবাসী অপর্ণা হালদার। তাঁদের যৌথ উদ্যোগে কোচবিহারের মরিচবাড়ি এলাকায় অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ বৃদ্ধাশ্রমে একটি ৩২ ইঞ্চির স্মার্ট টিভির ব্যবস্থা করা হলো।

কিছুদিন আগে শীতের কম্বল বিতরণ করতে গিয়ে শংকর রায় লক্ষ্য করেন, বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিক মা–বাবারা নীরবে সময় কাটাচ্ছেন, বিনোদনের কোনও ব্যবস্থাই নেই। জিজ্ঞাসা করতেই তাঁরা জানান, আশ্রমে টিভি নেই। সেই মুহূর্তে শংকর রায় ফেসবুক লাইভে এসে সকলের কাছে অনুরোধ জানান—কেউ যদি একটি টিভির ব্যবস্থা করেন, তাহলে বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা উপকৃত হবেন।

এই লাইভ ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়। ভিডিওটি দেখেই অপর্ণা হালদার শংকর রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আর্থিক সহায়তা পাঠান। সেই অর্থে আস্থা ফাউন্ডেশনের সদস্যদের সহযোগিতায় নতুন বছরের প্রথম দিন বৃদ্ধাশ্রমে টিভিটি স্থাপন করা হয়। টিভির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে কেক কেটে বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন সকলে।

টিভিতে রবীন্দ্রসংগীত ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখে খুশিতে মুখর হয়ে ওঠেন বৃদ্ধাশ্রমের মা–বাবারা। অপর্ণা হালদার জানান, ভবিষ্যতেও তিনি বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

SIR প্রকল্পে জটিলতা, কোচবিহারে প্রশাসন পশ্চিমবঙ্গ নস্যসেখ উন্নয়ন বোর্ডের মুখোমুখি বৈঠক।

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, ১০ ডিসেম্বর: কোচবিহারে SIR–সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কোচবিহার জেলার জেলাশাসক রাজু মিশ্র ও এডিএম জামিলা ফাতেমা জেবার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পশ্চিমবঙ্গ নস্য শেখ উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. বজলে রহমান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল বাতেন, নুর ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, রিয়াজুল হক-সহ উন্নয়ন বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা। আলোচনায় SIR প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন স্তরে সৃষ্টি হওয়া সমস্যা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্থাপিত বিষয়গুলি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রাজ্য

SIR শুনানির নামে হয়রানি ও আতঙ্কের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দ্বারস্থ বিএলও ও ভোটকর্মীরা।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৭ জানুয়ারি: SIR শুনানির প্রক্রিয়ায় বিএলও ও ভোটকর্মীদের উপর লাগাতার মানসিক চাপ, অপমান ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের কাছে ডেপুটেশন দিল ভোটকর্মি ও বিএলও ঐক্য মঞ্চ। সংগঠনের অভিযোগ, শুনানির নামে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করতে গিয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা কার্যত নরম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন।

ডেপুটেশনে জানানো হয়, বিভিন্ন জায়গায় যৌক্তিক অসঙ্গতি বা মানচিত্র সংক্রান্ত ত্রুটির দায় সরাসরি বিএলওদের উপর চাপানো হচ্ছে। ফলে তাঁদের অপমানের পাশাপাশি ভয়ভীতি ও হুমকির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একাধিক শুনানি কেন্দ্রে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ, যার জেরে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে কয়েকটি ব্লকে বিএলওদের গণপদত্যাগের ঘটনাও সামনে এসেছে।

ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে শুনানি কেন্দ্রে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, ছোটখাটো ত্রুটিতে শুনানি বন্ধ, ২০০২ সালের এসআর-ভুক্ত নাগরিক, বয়স্ক ও অসুস্থদের হয়রানি না করা, ভাঙচুরে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, মৃত ও অসুস্থ বিএলওদের ক্ষতিপূরণ এবং বিএলও ও অতিরিক্ত বিএলওদের ন্যায্য পারিশ্রমিক দেওয়ার দাবি জানানো হয়। সংগঠনের আশা, নির্বাচন কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এই সংকটজনক পরিস্থিতির সমাধান করবে।

বেলডাঙায় খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত একাধিক সাংবাদিক, গুরুতর জখম সোমা মাইতি ও রঞ্জিত মাহাতো।

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৭ জানুয়ারি: বেলডাঙায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন সাংবাদিক সোমা মাইতি (চৌধুরী), রঞ্জিত মাহাতো সহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক। ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় সোমা মাইতি ও রঞ্জিত মাহাতোকে বহরমপুর চরক স্কোয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দু’জনেরই মাথা, পিঠ, কোমর ও গলায় আঘাত লেগেছে। বর্তমানে জেলার নামকরা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং আগামী ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান জেলা শাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট পৌরসভার চেয়ারম্যান সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। তাঁরা চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহত সাংবাদিকদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

এই ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনাকে গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর আঘাত বলে মনে করছেন অনেকে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

অভিষেকের প্রতিশ্রুতি পূরণ। আলিপুরদুয়ারে চা বাগানের পড়ুয়াদের জন্য চালু হলো ‘শিশুসাথী’ স্কুল বাস।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ৫ জানুয়ারি: যেমন কথা, তেমন কাজ—আরও একবার তারই নজির রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চা বাগানের পড়ুয়াদের যাতায়াত সমস্যার কথা মাথায় রেখে আলিপুরদুয়ারে চালু হলো বিশেষ স্কুল বাস পরিষেবা। এই বাসের নাম রাখা হয়েছে ‘চা বাগানের শিশুসাথী’।

উল্লেখ্য, গত শনিবার আলিপুরদুয়ারে এক জনসভায় চা বাগান এলাকার পড়ুয়াদের জন্য স্কুল বাসের দাবি ওঠে। সেই দাবির রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার থেকেই পরিষেবা শুরু হয়ে গেল। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি স্কুল বাস চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন চা বাগান এলাকা থেকে পড়ুয়াদের স্কুলে নিয়ে যাবে।

দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গম রাস্তা ও যাতায়াত সমস্যার কারণে চা বাগান এলাকার বহু ছাত্রছাত্রী নিয়মিত স্কুলে যেতে পারত না। নতুন এই বাস পরিষেবা চালু হওয়ায় পড়ুয়াদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন।

স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগে চা বাগানের শিশুদের শিক্ষা আরও মজবুত হবে। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে এই উদ্যোগকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি রক্ষার বাস্তব উদাহরণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

হতাশার চরমে চা শ্রমিক! ডুয়ার্স কন্যার পাঁচতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা, রক্ষা পেল প্রাণ।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ৫ জানুয়ারি: বকেয়া বেতন ও বন্ধ চা বাগান নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ সোমবার চরম আকার নিল আলিপুরদুয়ারে। জেলা প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্স কন্যার পাঁচতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক চা শ্রমিক। পুলিশ ও সহকর্মীদের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচেন তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ডুয়ার্স কন্যা চত্বরে।

জানা গেছে, আত্মহত্যার চেষ্টা করা শ্রমিকের নাম মহাকাল ওরাও। তিনি মাদারিহাট ব্লকের মেরিকো কোম্পানির অন্তর্গত তুলসীপাড়া চা বাগানের শ্রমিক। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে বেতন বকেয়া থাকায় চরম আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন তিনি ও তাঁর মতো বহু শ্রমিক।

সোমবার বকেয়া মজুরি ও বন্ধ চা বাগান খোলার দাবিতে ডাকা ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে শ্রমিকরা ডুয়ার্স কন্যায় হাজির হন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও মালিকপক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় বৈঠক ভেস্তে যায়। তাতেই ক্ষোভ ও হতাশা চরমে ওঠে। সেই অবস্থাতেই পাঁচতলা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেন মহাকাল ওরাও।

পাশে থাকা অন্যান্য শ্রমিক ও পুলিশ কর্মীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাঁকে জানালা থেকে টেনে নামান। এরপর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কালচিনীর বিধায়ক বিশাল লামা, চা শ্রমিক মজদুর সমিতির নেত্রী অনুরাধা তলোয়ার, সিআইটিউ জেলা সভাপতি বিদ্যুৎ গুণ-সহ একাধিক শ্রমিক নেতৃত্ব। গোটা ঘটনায় ফের চা শ্রমিকদের দুর্দশার ছবি সামনে এল।

পুইনানের বিশ্ব ইজতেমায় উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল, বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা।

Friday : উত্তরের হাওয়া, ২ জানুয়ারি: হুগলি জেলার পুইনানে আয়োজিত ঐতিহাসিক ধর্মীয় মহাসম্মেলন তথা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিল উত্তরবঙ্গের এক বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই পুণ্য সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক, মাথাভাঙ্গা হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেন, রিয়াজুল হক সহ উত্তরবঙ্গের আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

বিশাল আয়োজন ও লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ইজতেমাকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। সমগ্র দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের জমায়েত দেখে অভিভূত হন উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, “জীবনের এই পর্যায়ে এসে এত বিশাল ইজতেমায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। এখানে ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা, মানবতার আদর্শ ও বিশ্ব শান্তির বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে, যা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের সদস্য রশিদুল হক বলেন, এই ধরনের ধর্মীয় সমাবেশ কেবল আধ্যাত্মিক চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের মধ্যে মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের মূল্যবোধ গড়ে তোলে। তাঁর মতে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় রাখাই এই ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন,“আমরা এখান থেকে বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে ফিরতে চাই। এই পুণ্য সমাবেশের অংশ হতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি।”

পুইনানের এই বিশ্ব ইজতেমায় আয়োজিত বিভিন্ন বয়ানে ইসলাম ধর্মের মূল শিক্ষা, মানুষের সেবা, নৈতিকতা ও বিশ্ব শান্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উত্তরবঙ্গ থেকে আগত এই প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি ইজতেমার তাৎপর্যকে আরও গভীরতা দিয়েছে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশের এক শক্তিশালী যোগসূত্র স্থাপন করেছে।

দেশ

রেকর্ড ভিড়ের আশঙ্কা, গঙ্গাসাগর মেলা ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাজ্য প্রশাসন।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ ডিসেম্বরঃ প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’। গঙ্গাসাগর মেলা শুরু হতে আর হাতে গোনা কয়েক দিন। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলা। চলতি বছরে কুম্ভ মেলা না থাকায় সাগরতটে রেকর্ডসংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। সেই ভিড় সামাল দিতে ও তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার।
মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার সাগরদ্বীপ পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও কানাইয়া কুমার রাও-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। কচুবেড়িয়া ও গঙ্গাসাগর পয়েন্টে গিয়ে মন্ত্রী প্রস্তুতির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয় মুড়িগঙ্গা নদীর ড্রেজিং এবং অস্থায়ী জেটি নির্মাণের কাজে।
পরিদর্শন শেষে সেচমন্ত্রী জানান, প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুড়িগঙ্গা নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। এর ফলে জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘ সময় ভেসেল পরিষেবা চালু রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ড্রোন নজরদারি, সিসিটিভি বসানো ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীর জন্য অতিরিক্ত যাত্রীনিবাস ও বাফার জোন তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও যাতায়াত—সব দিক মাথায় রেখেই প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই—‘সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’।

তিন মাসে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সমস্যার সমাধানের আশ্বাস নির্বাচন কমিশনের

Friday : উত্তরের হাওয়া, ৭ মার্চ: ভোটার তালিকায় ‘ভূতুড়ে ভোটার’ বিতর্কের মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, তিন মাসের মধ্যে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সমস্যার সমাধান করবে তারা। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছেন, বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে ভোটার তালিকায় ভূতুড়ে ভোটার ঢোকাচ্ছে। তার দাবি, প্রতিটি বিধানসভায় ২০-৩০ হাজার ভুয়া ভোটার যুক্ত করা হচ্ছে। মমতা বলেন, "বাংলা বহিরাগতদের সম্মান করতে জানে, কিন্তু বহিরাগতদের দিয়ে বাংলা দখল করতে দেবে না।" এদিকে, নির্বাচন কমিশনের সাফাই, একই এপিক নম্বর থাকলেই কোনো ভোটার ভুয়া প্রমাণিত হয় না। কারণ, রাজ্য ও ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী ভোটারের ঠিকানা, বিধানসভা কেন্দ্র ও ভোট কেন্দ্র আলাদা হতে পারে। তবুও, এই সমস্যা সমাধানে কমিশন তিন মাস সময় নিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, দিল্লির নির্বাচন কমিশন অফিসে বসে আধার কার্ডের তথ্য কারসাজির মাধ্যমে বাংলার ভোটারদের নামের সঙ্গে অন্য রাজ্যের ভোটারদের নাম যুক্ত করা হচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর থাকা মানেই কারচুপি নয়, তবে বিভ্রান্তি দূর করতে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হচ্ছে, যেখানে তৃণমূল এটিকে ষড়যন্ত্র বলছে, আর কমিশন এটিকে প্রশাসনিক জটিলতা হিসেবে দেখছে।

ভেঙে পড়ল বুলেট ট্রেনের জন্য নির্মীয়মাণ সেতু, বহু মানুষের চাপা পড়ার আশঙ্কা।

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ৫ নভেম্বেরঃ ভয়াবহ দুর্ঘটনা! ভেঙে পড়ল বুলেট ট্রেনের জন্য নির্মীয়মাণ সেতু, বহু মানুষের চাপা পড়ার আশঙ্কা। গুজরাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তৈরির সময়েই ভেঙে পড়ল বুলেট ট্রেন চলাচলের জন্য নির্মীয়মান সেতু। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের আনন্দে। ভাসাড়ের কাছে শ্রমিকরা বুলেট ট্রেনের জন্য সেতু নির্মাণের কাজ করছিলেন। সেই সময়ই হঠাৎ ব্রিজটি ভেঙে পড়ে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আনন্দ পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং প্রশাসনিক কর্তারা উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে ক্রেন এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ওই সময় বেশ কিছু শ্রমিক সিমেন্টের স্ল্যাবগুলির নীচে ছিলেন। সেতুটি ভেঙে পড়ায় বেশ কিছু শ্রমিক সেখানে আটকা থাকতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ব্রিজের ভেঙে পড়া অংশের নীচ থেকে ইতিমধ্যেই একজন শ্রমিককে উদ্ধার করে নিয়ে এসে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে, আরও বেশ কয়েক জন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন।

স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন পঞ্চাশ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হল পঁচাত্তর হাজার টাকা

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২৩ জুলাই: অপরিবর্তিত রইল আয়কর, আয়কর কাঠামোর আরও সরলীকরণের আশ্বাস কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। বেতনভোগী সাধারণ নাগরিক এখনও পর্যন্ত নতুন করব্যবস্থাকে সেভাবে গ্রহণ করেননি। বিশেষ করে বেতন পান যাঁরা। তাই ২৫ লক্ষের বেশি আয়ের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কর আনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এতে কেনাকাটাও বাড়বে, সঙ্গে মানুষ সঞ্চয়ের দিকেও এগেবোন বলে ধারণা অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। ইনকাম ট্যাক্স নিয়ে বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর। নতুন কাঠামোয় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হল ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়া এমন কিছু পরিবর্তন করা হল যাতে, নতুন আয়কর কাঠামোয় ১৭ হাজার ৫০০ টাকা লাভ করতে পারবেন করদাতারা। নতুন আয়কর কাঠামোয় কর জমা দিলে , ৩ থেকে ৭ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ৫% আয়কর দিতে হবে। ৭ থেকে ১০ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ১০% আয়কর দিতে হবে। ১০ থেকে ১২ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ১৫% আয় দিতে হবে। ১২ থেকে ১৫ লক্ষ পর্যন্ত আয়ে ২০% আয়কর দিতে হবে। ১৫ লক্ষের বেশি আয়ে ৩০% কর। পুরনো ট্যাক্স কাঠামোয় আলাদ করে কোনও পরিবর্তনও করা হল না, সুরাহা করা হল না। সেইসঙ্গে ঘোষণা, সময়ে TDS না দিলে অপরাধ নয়। এছাড়া ক্যাপিট্যাল গেনে ছাড় ১ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে করা হল ২.২৫ লক্ষ। বাজেটে ই-কমার্সের উপর TDS কমানোর ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। আয়কর কাঠামোর আরও সরলীকরণের আশ্বাস দিলেন সীতারমণ। দেরিতে আয়কর জমা দিলে তুলনায় কম জরিমানা। জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী।

এডিজি বিএসএফ গুয়াহাটি সীমান্তের অধীনে কোচবিহার আন্তর্জাতিক সীমান্তের অপারেশনাল প্রস্তুতির পর্যালোচনা

Friday : উত্তরের হাওয়া, ২৯ মার্চঃ শ্রী রবি গান্ধী, ADG, পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের বিএসএফ গোপালপুর সেক্টর কোচবিহার সফরের সময়, ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বিএসএফ-এর অপারেশনাল প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন আজ। এডিজি বিএসএফ সেক্টর হেড কোয়ার্টার বিএসএফ গোপালপুর পরিদর্শন করেন যেখানে তাকে এলাকার বর্তমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। তিনি বিএসএফ-এর গোপালপুর ও কোচবিহার সেক্টরের দায়িত্বের এলাকায় বিদ্যমান নদীপথ এবং বেড়িবিহীন সীমান্তের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন। শ্রী রবি গান্ধী, ADG সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন মোতায়েন করা বর্ডারম্যানদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে সীমানা রক্ষায় তাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং তাদের নিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন।

বিশ্ব

রাশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, জাপানে আছড়ে পড়ল সুনামি! তীব্রতা ৮.৮ রিখটার, সতর্কতা আমেরিকাতেও।

Wednesday : রাশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, জাপানে আছড়ে পড়ল সুনামি! তীব্রতা ৮.৮ রিখটার, সতর্কতা আমেরিকাতেও। উত্তরের হাওয়া, ৩০ জুলাই ২০২৫: রাশিয়ার পূর্ব প্রান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল গোটা কামচাটকা উপদ্বীপ। বুধবার সকালে রিখটার স্কেলে ৮.৮ মাত্রার শক্তিশালী এই কম্পনের জেরে তীব্র সুনামি আছড়ে পড়েছে জাপানের হোক্কাইডো উপকূলে। বিশাল ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল প্রায় ৪ মিটার। ঘটনায় এখনো পর্যন্ত প্রাণহানির খবর না মিললেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল জুড়ে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা USGS জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৯.৩ কিলোমিটার গভীরে। এত গভীরতায় হওয়া সত্ত্বেও ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল বিপজ্জনক। কামচাটকা, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও আশেপাশের উপকূলবর্তী অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়। রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার মানুষ। বহু বাড়ির দেওয়াল ও ছাদে ফাটল দেখা গেছে, বিদ্যুৎ ও মোবাইল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে।
জাপানে ইতিমধ্যেই উপকূলবর্তী এলাকায় জারি হয়েছে সুনামি সতর্কতা। প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা জানিয়েছেন, “সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”
এই ঘটনায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে আমেরিকার পশ্চিম উপকূল, আলাস্কার আলেউশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন, ওয়াশিংটন ও হাওয়াই-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়।
আন্তর্জাতিক সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চল খালি করা হচ্ছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের সময় বাড়ির আসবাব পড়ে যাচ্ছে, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, লোকজন রাস্তায় ছোটাছুটি করছে। তীব্রতা ও বিস্তৃতি বিচার করে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

খেলা

নিগমনগর নিগমানন্দ মর্নিং ইউনিটের সাফল্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরি পেল ১৩ জন যুবক।

Friday : উত্তরের হাওয়া, ১৭ জানুয়ারি::নিগমনগর নিগমানন্দ মর্নিং ইউনিট থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরি পেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করলেন মোট ১৩ জন যুবক। এই সাফল্যে এলাকাজুড়ে খুশির হাওয়া বইছে। চাকরিপ্রাপ্তরা হলেন সীমান্ত বর্মন, মানস বর্মন, চন্দন বর্মন, সুদীপ বর্মন, সৌরভ বর্মন, ছোটন সরকার, ভার্গব বর্মন, মুর্শিদ আলম, রাজীব রায়, রাজ বর্মন, বিক্রম বর্মন, গোপাল বর্মন ও অসীম বর্মন।

এই কৃতিত্বকে স্বীকৃতি জানাতে আজ একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মর্নিং ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টা কৃষ্ণ কান্ত ভৌমিক, সভাপতি শিরীষ বর্মন, কোষাধ্যক্ষ প্রসেনজিত ভৌমিক। এছাড়াও মনোতোষ বর্মন, পাপাই বর্মন, কেশব সরকার, বিপ্লব বর্মন সহ বহু সদস্য ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

চাকুরী প্রাপ্তরা জানান, নিয়মিত শরীরচর্চা, শৃঙ্খলা ও মানসিক দৃঢ়তার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও আরও বেশি যুবককে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে নিগমানন্দ মর্নিং ইউনিট কাজ করে যাবে বলে জানানো হয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান দিনহাটা শহরে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজের সূচনা

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২জানুয়ারি: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান দিনহাটা শহরে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজের সূচনা হলো। মঙ্গলবার শহরের পাইওনিয়ার ক্লাব প্রাঙ্গনে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজে সূচনা করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। পাশাপাশি বয়েজ ক্লাব এলাকা থেকে চড়ক মেলা মাঠ পর্যন্ত হাইড্রেন তৈরির কাজের সূচনাও হয় এদিন। জানা গেছে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৯৬ টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে এই দুটি প্রকল্প উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের সহযোগিতায়। এদিনের অনুষ্ঠানে সেখানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ ভট্টাচার্য, দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান গৌরীশংকর মাহেশ্বরী, ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরী, পাইওয়নিয়ার ক্লাবের সভাপতি ডঃ অমল বসাক সহ আরো অন্যান্যরা। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী উদয়ন গুহ জানান, ছয় মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে এই মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম। খেলাধুলার বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা মিলবে সেখানে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এই মিনি স্টেডিয়াম পুরোপুরি ভাবে তৈরি করে দিলেও দেখভালের দায়িত্বে থাকবে ক্লাব কতৃপক্ষের এমনটাই তিনি জানিয়েছেন। বলা বাহুল্য, ১৯৮৮ সালে দিনহাটা শহর সংলগ্ন পুঁটিমারিতে স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ৬ একর জমি কেনা হয়। তখন রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার। রাজ্যের যুব কল্যাণ দফতরের দেওয়া আর্থিক বরাদ্দে ওই জমি কেনা হয়। সরকারি নিয়ম মেনেই মহকুমা ক্রীড়া সংস্থা এবং দিনহাটা–১ পঞ্চায়েত সমিতির মালিকাধীন বলে জমির ‘দলিল’ তৈরি হয়।তারপর প্রায় ৩৪ বছরেরও বেশি সময়কেটে গিয়েছে। সীমানা পাঁচিল ছাড়া স্টেডিয়াম তৈরির কিছুই হয়নি। তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হলেও কেউই সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। আদৌ কি সেই স্টেডিয়াম তৈরি হবে সেই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে ঠিক তখনই দিনহাটা শহরের বুকে মিনি স্টেডিয়াম গড়ে তোলার কাজের সূচনা হলো এদিন। পুটিমারি সংলগ্ন এলাকায় সেই স্টেডিয়ামের বিষয় নিয়ে এদিন মন্ত্রী উদয়ন গুহ কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, স্টেডিয়াম আর মিনি স্টেডিয়ামের মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য রয়েছে। সে সময় যারা সেখানে স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা করেছিলেন সেই সময় হয়তো পরিকল্পনার খানিকটা খামতি ছিল। সেখানে গাড়ি পার্কিং, অ্যাপ্রোচ, প্রবেশ পথের কোনরকম চিন্তাভাবনা হয়নি। সব মিলিয়ে একটা ঘাটতি থেকে গেছে। তবে মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি ক্ষেত্রে সব কিছু ব্যবস্থায় থাকছে বলেও তিনি জানান। স্বাভাবিকভাবেই মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম দিনহাটায় তৈরি হচ্ছে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন মহলে খুশির হাওয়া এবং ক্রীড়া প্রেমীরা অত্যন্ত খুশি এমনটাই জানা গেছে।

তানিয়াকে সম্বর্ধনা দিল কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ৪জুলাই: কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সম্বর্ধিত করা হয় ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের সদস্যা কুমারী তানিয়া কামতি কে। উল্লেখ্য দিনহাটার মেয়ে তানিয়া কামতি একজন অতি সাধারণ ট্যাক্সি ড্রাইভার এর মেয়ে। নিজের অধ্যবসায় ও সাধনার ফলে আজকে সে জাতীয় ফুটবল দলে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত সাফ কেমসে ভারতীয় মহিলা ফুটবল এর হয়ে অংশ নিয়েছিল তানিয়া কামতি। এই আন্তর্জাতিক স্তরের খেলায় তানিয়ার পারফরম্যান্স দিনহাটা কোচবিহার এমনকি পশ্চিমবাংলা তথা ভারতের মান উঁচু করে। আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটায় কোচবিহারের স্টেডিয়াম সংলগ্ন ডিস্ট্রিক স্পোর্টস এসোসিয়েশনের সভাকক্ষে তাকে ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হয়। এই মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুব্রত দত্ত। সহ-সভাপতি অমলেশ সরকার, সহ-সভাপতি তপন ঘোষ এবং সহ-সভাপতি অশোক হাজরা।

রাজনীতি

দিনহাটায় বিজেপিতে ভাঙন, গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন সহ ১৫ জন মহিলা নেত্রীর তৃণমূলে যোগদান।

Monday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ জানুয়ারি: দিনহাটা মহকুমায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন একাধিক মহিলা নেত্রী ও কর্মী। বিজেপি নেত্রী গীতা রায় সরকার, চিত্রা রায়, রেজিনা খাতুন-সহ মোট ১৫ জন মহিলা সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন।

এদিন যোগদানকারীদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন দিনহাটা ওয়ান বি ব্লক তৃণমূল মহিলা সভানেত্রী ডালিয়া চক্রবর্তী এবং জেলা পরিষদ সদস্যা শ্রাবণী ঝা। তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ায়।

নবাগত সদস্যারা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজ, নারী ক্ষমতায়ন এবং জনমুখী রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হয়েই তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপির নীতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ায় তাঁরা দল ছাড়তে বাধ্য হন।

তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এই যোগদানের ফলে দিনহাটা মহকুমায় তৃণমূল কংগ্রেস দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত হবে এবং আগামী দিনে উন্নয়নের রাজনীতি আরও গতি পাবে।

দিনহাটায় মহিলা তৃণমূলের ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ ও অভিষেকের সভা ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে।

Friday : উত্তরের হাওয়া, ৯ জানুয়ারি: তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে শুক্রবার দিনহাটা ভিলেজ–২ অঞ্চলের দ্বিতীয় খণ্ড ভাংণী এলাকায় ২৭১ নম্বর বুথে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভানেত্রী শুচিস্মিতা দত্ত শর্মা, দিনহাটা ওয়ান বি ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-নেত্রী ডালিয়া চক্রবর্তী সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্ব। গ্রামের বহু মহিলা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

নেতৃত্বরা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, নারী উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুফল তুলে ধরেন। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এদিনের কর্মসূচির মধ্য দিয়েই আগামী ১৩ই জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে সামনে রেখে প্রস্তুতি সভাও আয়োজন করা হয়। সভায় সংগঠনকে আরও মজবুত করার বার্তা দেওয়া হয়।

৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী, রাসমেলার মাঠে ঐতিহাসিক জনসভার প্রস্তুতি তুঙ্গে।

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ৩০ নভেম্বরঃ রাজ্যজুড়ে SIR–এর উত্তেজনার মধ্যেই কোচবিহারের রাজনৈতিক আবহ আরও গরম হতে চলেছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর কোচবিহারের রাসমেলার মাঠে জনসভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি জানিয়েছেন, এবারের রাসমেলা জনসভাকে “ঐতিহাসিক” করে তুলতেই প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে সভা।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর গাজোল কলেজ মাঠে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। একের পর এক জেলায় তৃণমূলনেত্রীর সভা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঘুঁটি সাজাতে চান তিনি নিজেই।
কোচবিহার জেলায় সংগঠনে নতুন উদ্যম আনতেই এবার জোর দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলা জুড়ে ফাঁকফোকর বুজিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে মরিয়া নেতৃত্ব। অন্যদিকে, পিছিয়ে নেই বিজেপিও—SIR প্রক্রিয়া কী প্রভাব ফেলবে সীমান্তবর্তী কোচবিহারের রাজনীতিতে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চরম কৌতূহল।
রাজ্যজুড়ে SIR–এর চাপ ও বিতর্ক চললেও, মুখ্যমন্ত্রীর এই সভাকে ঘিরে কোচবিহারের তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। দলের মতে—মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি সংগঠনে “নতুন প্রাণ” দেবে।

মাথাভাঙায় বিজেপি BLA 2 কে মারধর ও গলায় জুতোর মালা পরানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

Thursday : উত্তরের হাওয়া, ৬ নভেম্বরঃ SIR এনুমেরেশন ফর্ম বিলির সময় চাঞ্চল্য ছড়াল মাথাভাঙা ১ ব্লকের পচাগড় পঞ্চায়েতের ২৩৯ নম্বর বুথে। অভিযোগ, ছাটখাটেরবাড়ি এলাকায় বিজেপির বুথ লেভেল এজেন্ট (BLA-2) নিভাশ দাসকে মারধর করে গলায় জুতোর মালা পরিয়ে এলাকায় ঘোরানো হয়। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। বিজেপির অভিযোগ, বি.এল.ও নিশিথ রায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন স্থানীয় নেতা পরিকল্পনা করে এই হেনস্থার ঘটনা ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মাথাভাঙা থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মুখ খুলবেন বুঝেশুনে: মন্ত্রিসভার বৈঠকে সহকর্মীদের কড়া বার্তা দিলেন মমতা

Friday : উত্তরের হাওয়া, ১৯ সেপ্টেম্বরঃ দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সহকর্মী মন্ত্রীদের একাধিক বিষয়ে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “পুজোয় এলাকায় থাকুন, গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ান। শুধু দলের টাকায় নয়, নিজের সঞ্চয় থেকেও সাহায্য করুন।” একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, বর্তমানে রাজ্যের আর্থিক সঙ্কট রয়েছে। তাই সরকারি দপ্তরের টাকা খরচের ক্ষেত্রে মন্ত্রীদের আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক হতে হবে। অযথা অপচয় করলে তার জবাবদিহি করতে হবে বলেও তিনি জানান।

তবে মমতার সতর্কতা শুধু অর্থব্যবস্থাপনা নয়, বক্তব্য নিয়েও ছিল। তিনি মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, “আলটপকা মন্তব্য করবেন না। মুখ খুলবেন বুঝেশুনে। পরিস্থিতি বুঝে কথা বলুন। এলাকায় শান্তি বজায় রাখা এখন সবচেয়ে জরুরি।” তাঁর মতে, দলের ভিতরে মতানৈক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তা প্রকাশ্যে আনা যাবে না। সংবাদমাধ্যমের সামনে তো নয়ই। কারণ এতে দলের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তৃণমূলনেত্রীর এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ অতীতে দলের কিছু নেতা–বিধায়ক ও সাংসদের মন্তব্যে একাধিকবার দল অস্বস্তিতে পড়েছে। ডেবরা ও ভরতপুরের বিধায়ক দুই হুমায়ুন কবীর, মালদার সংগঠনিক সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সের মন্তব্য কিংবা অনুব্রত মণ্ডলের অডিয়ো ক্লিপ দলকে বিতর্কে ফেলেছিল। কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় কিছু নেতার মন্তব্য নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রীরা সরাসরি বেফাঁস মন্তব্য করেননি, তবুও নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তা সতর্ক সংকেত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে, মমতার বক্তব্যে স্পষ্ট—মন্ত্রীদের একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে, তেমনই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। দল ও সরকারের ভাবমূর্তি যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে, তার দায়ও তাঁদেরই নিতে হবে।

রাশিফল

লাইফস্টাইল




Follow us on                  

About Us
uttorerhawa, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Dinhata, Cooch Behar
Call : 7076088024
WhatsApp : 7076088024
Email : uttorerhawa1985@gmail.com
Important Link
  • Disclaimer
  • Privacy Policy

  • Total Visitor : 2417070