Monday 15 July 2024




সর্বশেষ













বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় কোচবিহারের ইমরান

উত্তরের হাওয়া, ১৪ জুলাই : ফের নয়া নজির। এবার বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় কোচবিহার জেলার সেরা। আর এবার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে কোচবিহারের ইমরান হোসেন। এবার রাজ্যে বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে নয়া নজির তৈরি করল। পড়ুয়ার সাফল্যে খুশি পরিবার থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ইমরান কুচবিহার ১ নং ব্লকের অন্তর্গত সুকটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়বাড়ী এলাকায় আল হোসেন মিশনের ছাত্র। কোচবিহার জেলায় বাড়ি ইমরানের। ছোটবেলা থেকেই ওই ছাত্রের প্রিয় বিষয় ভূগোল। ছোটবেলা থেকেই ভূগোলের প্রতি ইমরানের যথেষ্ট আকর্ষণ ও দক্ষতা রয়েছে। এই পডুয়া সম্প্রতি অষ্টম শ্রেণীর স্তরে ভূগোল অন্বেষণ পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে মেধার প্রমাণ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রতিবছর বঙ্গীয় ভূগোল মঞ্চের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা হয়ে থাকে। রাজ্যে জুড়ে অসংখ্য পড়ুয়া এই মেধার পরীক্ষা অংশ নেয়। করোনা পরিস্থিতিতে মাঝে দুই বছর অবশ্য পরীক্ষা হয়নি। গতবছর জেলায় জেলায় সমস্ত বিভাগ মিলিয়ে পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। 2023 সালের 1 লা অক্টোবর পরীক্ষাটি হয়েছিল। এরপর চলতি মাসে প্রকাশিত হয় রেজাল্ট। রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজের মেঘনাথ সাহা অডিটোরিয়ামে বঙ্গীয় ভূগোল মঞ্চের পক্ষ থেকে ১৪ ই জুলাই ২০২৪ রবিবার ৩১ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় পদক প্রদান করা ইমরান হোসেনকে। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রাক্তন মুখ্য বিজ্ঞানী ডক্টর পার্থ সারথী চক্রবর্তী।

Sunday

বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় কোচবিহারের ইমরান

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ১৪ জুলাই : ফের নয়া নজির। এবার বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় কোচবিহার জেলার সেরা। আর এবার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে কোচবিহারের ইমরান হোসেন। এবার রাজ্যে বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে নয়া নজির তৈরি করল। পড়ুয়ার সাফল্যে খুশি পরিবার থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ইমরান কুচবিহার ১ নং ব্লকের অন্তর্গত সুকটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়বাড়ী এলাকায় আল হোসেন মিশনের ছাত্র। কোচবিহার জেলায় বাড়ি ইমরানের। ছোটবেলা থেকেই ওই ছাত্রের প্রিয় বিষয় ভূগোল। ছোটবেলা থেকেই ভূগোলের প্রতি ইমরানের যথেষ্ট আকর্ষণ ও দক্ষতা রয়েছে। এই পডুয়া সম্প্রতি অষ্টম শ্রেণীর স্তরে ভূগোল অন্বেষণ পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে মেধার প্রমাণ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রতিবছর বঙ্গীয় ভূগোল মঞ্চের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা হয়ে থাকে। রাজ্যে জুড়ে অসংখ্য পড়ুয়া এই মেধার পরীক্ষা অংশ নেয়। করোনা পরিস্থিতিতে মাঝে দুই বছর অবশ্য পরীক্ষা হয়নি। গতবছর জেলায় জেলায় সমস্ত বিভাগ মিলিয়ে পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। 2023 সালের 1 লা অক্টোবর পরীক্ষাটি হয়েছিল। এরপর চলতি মাসে প্রকাশিত হয় রেজাল্ট। রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজের মেঘনাথ সাহা অডিটোরিয়ামে বঙ্গীয় ভূগোল মঞ্চের পক্ষ থেকে ১৪ ই জুলাই ২০২৪ রবিবার ৩১ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় পদক প্রদান করা ইমরান হোসেনকে। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রাক্তন মুখ্য বিজ্ঞানী ডক্টর পার্থ সারথী চক্রবর্তী।

2024-07-14

কোচবিহার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ রক্তদান শিবির ‘উৎসর্গ’

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৩ জুলাইঃ কোচবিহার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ ‘উৎসর্গ’। কোচবিহার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দিনহাটা থানার উদ্যোগে দিনহাটার হেমন্ত বসু কর্নার প্রাঙ্গণে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। - "রক্তদান মহৎ দান, রক্ত দিয়ে বাঁচান প্রাণ”। রক্তের সংকট মেটাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় রক্তদান শিবিরের। আজ শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ দিনহাটা হেমন্ত বসু কর্নারে রক্তদান শিবিরের আয়োজন জেলা পুলিশের উদ্যোগে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার দুত্যিমান ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোপাল কৃষ্ণ মিনা, এসডিপিও ধীমান মিত্র, আইসি জয়দীপ মোদক, দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরীশংকর মাহেশ্বরী, ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরী, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সহ প্রমুখ। এই রক্তদান শিবিরে পুলিশ আধিকারিক, পুলিশ কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার্স সহ সাধারন মানুষেরাও রক্ত দান করেন। রক্তের অভাবে প্রাণ যায় অনেক মানুষের। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না হয়, তাই এবার সচেষ্ট হয়েছে জেলা পুলিশ। বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা পুলিশ সুপার জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা মমতা ব্যানার্জির নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতিবারের ন্যায় এবছরও রক্তদান শিবিরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যাতে রক্তের ঘাটতি ঘুচিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়ে ওঠে। এছাড়া তিনি আরো বলেন মূমূর্ষ রোগীদের রক্তের অভাবে বিপদের সম্মুখীন হতে না হয়। সেই দিকে দৃষ্টি রেখে এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন।

2024-07-13

পঞ্চ ব্যঞ্জন লুচি পায়েসে সাত দিন মাসির বাড়ি কাটালো মদনমোহন

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৩ জুলাই: রাত পোহালেই বাড়ি ফিরে আসবেন কোচবিহারের প্রাণের ঠাকুর মদনমোহন। রাত পোহারেই উল্টোরথ। সাত দিন মাসির বাড়িতে কেমন যত্ন পেলেন কোচবিহারের প্রাণের ঠাকুর? সকালের স্নান সেরে লুচি পায়েস, এরপর দুপুরে পঞ্চব্যঞ্জনে আহার। তাতে ছিল খিচুড়ি, পরমান্য, লাবরা, সন্দেশ মিষ্টি, পাঁচ রকমের ভাজা, দই, এবং অবশ্যই মদনমোহন বাড়ির বিশেষ সন্দেশ। সন্ধ্যায় সুজি লুচি। রাতে আবার অন্ন ভোগ। সাত দিন মাসির বাড়িতে ভক্ত সমাগমের তোর ভালোই কাটালেন মদনমোহন। ছিল কীর্তন এবং অন্যান্য পূজার রীতিনীতি। আনা হয়েছিল ডাবের জল। ছিল লটকন নামক একটি বিশেষ ফল। এছাড়াও দফায় দফায় ফলাহার করেছেন মদনমোহন। এমনটাই জানাচ্ছেন মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত পূজারীরা। দৈনিক কুড়ি থেকে ২৫ কেজি ভোগ রান্না হয়েছে, মদনমোহনের মাসির বাড়িতে। এই ভোগ নিবেদনের পর বিতরণ হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। মূলত মাটির পুতুলের মেলা হত রাজ আমলে, এখন দিন পাল্টেছে কিন্তু মেলার রীতি আজও রয়ে গেছে। সেই সঙ্গে রথ দেখা কলা বেচার মত জিলাপির পশরা ছিল চোখে পড়ার মতো। গুঞ্জু বাড়ি মাসির বাড়ি থেকে রবিবার বিকেলে মদন মোহন ফিরবেন তার নিজের ভবন মদনমোহন বাড়িতে। চোখের জলে শেষ দিনের বিদায় মদনমোহন কে জানাতে ভক্ত পরিজনদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

2024-07-13

দিন দুপুরে ব্যবসায়ীর গলায় কোপ, চাঞ্চল্য ধর্মতলায়

Friday : উত্তরের হাওয়া কোচবিহার, ১২ জুলাই: দিন দুপুরে সিমেন্ট ব্যবসায়ীর গলায় কাটারি দিয়ে কোপাল ফুটপাতের ভাগা পানের বিক্রেতা। শুক্রবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরের ধর্মতলা মোড় সংলগ্ন এলাকায়। স্থানীয় ব্যবসায়ী সুশান্ত দেবের গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আহত ওই ব্যবসায়ী বর্তমানে কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত পান বিক্রেতাকে ধরতে গেলেই পান বিক্রেতা ছুটে গিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ পুরো বিষয়টি বিশদে খতিয়ে দেখছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্মতলা মোড়ে দীর্ঘদিন ধরেই পানের ব্যবসা করে আসছেন অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। সম্প্রতি ফুটপাত থেকে অবৈধ ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের ঘটনার পর কয়েকদিন সেই ব্যবসায়ী পানের দোকান বন্ধ রেখেছিলেন। কিন্তু এদিন ফের রাস্তার পাশে নর্দমার উপর পসরা সাজিয়েছিলেন ওই পান বিক্রেতা। স্থানীয় সিমেন্ট ব্যবসায়ী এবং তার কর্মচারীরা এনিয়ে প্রতিবাদ জানাতেই দোকানে আবর্জনা ছুড়তে থাকেন ওই পান বিক্রেতা এবং এনিয়ে দুপক্ষের বচসাও হয়। সেসময়ই অতর্কিত ব্যবসায়ীর গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ দেয় ওই পান বিক্রেতা।

2024-07-12

দিনহাটা

কোচবিহার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ রক্তদান শিবির ‘উৎসর্গ’

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৩ জুলাইঃ কোচবিহার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ ‘উৎসর্গ’। কোচবিহার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দিনহাটা থানার উদ্যোগে দিনহাটার হেমন্ত বসু কর্নার প্রাঙ্গণে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। - "রক্তদান মহৎ দান, রক্ত দিয়ে বাঁচান প্রাণ”। রক্তের সংকট মেটাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় রক্তদান শিবিরের। আজ শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ দিনহাটা হেমন্ত বসু কর্নারে রক্তদান শিবিরের আয়োজন জেলা পুলিশের উদ্যোগে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার দুত্যিমান ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোপাল কৃষ্ণ মিনা, এসডিপিও ধীমান মিত্র, আইসি জয়দীপ মোদক, দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরীশংকর মাহেশ্বরী, ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরী, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সহ প্রমুখ। এই রক্তদান শিবিরে পুলিশ আধিকারিক, পুলিশ কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার্স সহ সাধারন মানুষেরাও রক্ত দান করেন। রক্তের অভাবে প্রাণ যায় অনেক মানুষের। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না হয়, তাই এবার সচেষ্ট হয়েছে জেলা পুলিশ। বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা পুলিশ সুপার জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা মমতা ব্যানার্জির নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতিবারের ন্যায় এবছরও রক্তদান শিবিরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যাতে রক্তের ঘাটতি ঘুচিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়ে ওঠে। এছাড়া তিনি আরো বলেন মূমূর্ষ রোগীদের রক্তের অভাবে বিপদের সম্মুখীন হতে না হয়। সেই দিকে দৃষ্টি রেখে এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন।

সরকারি জলসেচ প্রকল্পের পাম্পসেট চুরিতে চাঞ্চল্য টিয়াদহে

Friday : উত্তরের হাওয়া, দিনহাটা, ৪ জুলাই: দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে সরকারি জলসেচ প্রকল্প। কৃষকরা জল না পেলেও তালাবন্ধ অবস্থায় অটুট ছিল প্রকল্পের পাইপ, পাম্পসেট সহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ। আশা ছিল সমস্যা কাটিয়ে ফের চাষবাসের প্রয়োজনীয় জল সুলভে পাবেন স্থানীয় কৃষকরা। কিন্তু বুধবার গভীর রাতে জলসেচ প্রকল্পের তালাবন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের সে আশায় জল পড়েছে। খোয়া গিয়েছে জলপ্রকল্পের পাম্পসেট, লোহার পাইপ সহ একাধিক যন্ত্রাংশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি দিনহাটা ২ ব্লকের কিশামতদশগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েতের টিয়াদহ এলাকার। স্থানীয় যুবক চিরঞ্জিত বর্মনের কথায়, “১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে পাম্পটি। বিদ্যুত সংযোগ সংক্রান্ত সমস্যায় এটি বন্ধ ছিল বলে শুনেছি। কিন্তু যন্ত্রগুলো ঠিকই ছিল, গত রাতে সেসব চুরি যাওয়ায় এলাকায় বন্ধ হয়ে থাকা সরকারি জলসেচ প্রকল্প পুনরায় চালু হওয়ার আশা সমুলে নষ্ট হলো।” দিনহাটা ২ ব্লকের কিশামতদশগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েতের টিয়াদহ এলাকায় আবুতারা রোডের পাশেই বাম আমলে তৈরী হয়েছিল জলসেচ প্রকল্প। মুলত শুখা মরশুমে বানিয়াদহ নদী থেকে জল তুলে সুলভ মূল্যে চাষিদের খেতে জল পৌছে কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নই ছিল লক্ষ্য। এতে এলাকার কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হতেন। কিন্তু বছর দশেক আগে তা হঠাৎই বন্ধ হয়ে যায়। জঙ্গলে ঢেকে যায় প্রকল্পের ঘর। একাধিকবার দাবী তুলেও সেটি পুনরায় চালু না হলেও ঘরে প্রয়োজনীয় পাম্পসেট ও যন্ত্রগুলি ছিলই। অভিযোগ, বুধবার গভীর রাতে সেসব খোয়া গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতভ্রমনকারীদের বিষয়টি নজরে আসতেই শোরগোল পড়ে এলাকায়। সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সরেজমিনে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। দিনহাটা ২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ বিভাস অধিকারী এই এলাকারই বাসিন্দা। তাঁর কথায়, খবর পেয়ে নিজেও ঘটনাস্থলে পৌছাই। দিনহাটা ২ ব্লকের বিডিওকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রকল্পটি চালু করা গেলে বহু কৃষক উপকৃত হতেন। চুরির সাথে জড়িতদের দ্রুত খুঁজে বের করুক পুলিশ। খোয়া যাওয়া যন্ত্রগুলিও উদ্ধার করা প্রয়োজন।

জলে ভাসিয়ে পাচারের চেষ্টা, সিঙ্গিমারিতে নদী থেকে উদ্ধার ৬০ গোরু

Sunday : উত্তরের হাওয়া, দিনহাটা, ৩০ জুন: কলার গাছ ও বাঁশে বেঁধে জলে ভাসিয়ে নির্মম ভাবে ৬০ টি বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল পাচারকারীরা। কিন্তু সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর তৎপরতায় তা ভেস্তে যায়। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের সিতাইয়ের সিঙ্গিমারি এলাকার গিরিধারি নালায়। রবিবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর গৌহাটি ফ্রন্টিয়ারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিদিনের মতো এদিনও ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের জলাশয় গুলিতে নজরদারি চালাচ্ছিল বিএসএফ। সেসময় গোপন সূত্রের ভিত্তিতে, সিঙ্গিমারি নদীর অন্যতম নালা গিরিধারিতে কলার গাছ ও বাঁশে নির্মমভাবে বাধা অবস্থায় ৬০ টি গোরু উদ্ধার করে। বর্তমানে সেসব সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পদ্মা বিওপিতে রেখেছে সীমান্ত বাহিনী। প্রসঙ্গত, ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের সিতাইয়ের এক বিস্তির্ন এলাকার সীমান্তে নদীপথ রয়েছে। সেই উন্মুক্ত সীমান্তকে ব্যবহার করে পাচারকারীরা বিভিন্ন সামগ্রী পাচারের সাম্রাজ্য চালান কারবারীরা। মুলত বর্ষার মরশুমে ভরা নদীতে গোরুকে কলাগাছ ও বাঁশে ভাসিয়ে কচুরিপানায় ঢেকে পাচারের চেষ্টা করেন কারবারীরা। এদিন সেধরনেরই একটি পাচারকারীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে বিএসএফ। এই পাচারচক্রের জাল কতটা ছড়ানো সেটিও বিশদে দেখছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী।

বোমাবাজি ও তাজা বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য দিনহাটায়

Sunday : উত্তরের হাওয়া, দিনহাটা, ২৩ জুন: গভীর রাতে বোমাবাজি ও জোড়া তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় শনিবার গভীর রাতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল কোচবিহারের দিনহাটা ২ ব্লকের সাহেবগঞ্জে। অভিযোগ, এদিন গভীর রাতে তীব্র শব্দে কেঁপে ওঠে সংশ্লিষ্ট গ্রামপঞ্চায়েতের শচীনন্দন এলাকার ৭/৯০ নং বুথের নতুন বাজার এলাকা। সাহস করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতেই এলাকাবাসী দেখেন যে একটি বোমা ফেটেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুর শেখের বাড়ির সামনেই আরো দুটি তাজা বোমা পড়ে হয়েছে। খবর পেয়ে রবিবার সকাল ৭ টা নাগাদ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাজা বোমা দুটি উদ্ধার করে। পারিবারিক বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ।

কোচবিহার

বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় কোচবিহারের ইমরান

Sunday : উত্তরের হাওয়া, ১৪ জুলাই : ফের নয়া নজির। এবার বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় কোচবিহার জেলার সেরা। আর এবার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে কোচবিহারের ইমরান হোসেন। এবার রাজ্যে বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে নয়া নজির তৈরি করল। পড়ুয়ার সাফল্যে খুশি পরিবার থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ইমরান কুচবিহার ১ নং ব্লকের অন্তর্গত সুকটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়বাড়ী এলাকায় আল হোসেন মিশনের ছাত্র। কোচবিহার জেলায় বাড়ি ইমরানের। ছোটবেলা থেকেই ওই ছাত্রের প্রিয় বিষয় ভূগোল। ছোটবেলা থেকেই ভূগোলের প্রতি ইমরানের যথেষ্ট আকর্ষণ ও দক্ষতা রয়েছে। এই পডুয়া সম্প্রতি অষ্টম শ্রেণীর স্তরে ভূগোল অন্বেষণ পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে মেধার প্রমাণ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রতিবছর বঙ্গীয় ভূগোল মঞ্চের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বঙ্গীয় ভূগোল মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা হয়ে থাকে। রাজ্যে জুড়ে অসংখ্য পড়ুয়া এই মেধার পরীক্ষা অংশ নেয়। করোনা পরিস্থিতিতে মাঝে দুই বছর অবশ্য পরীক্ষা হয়নি। গতবছর জেলায় জেলায় সমস্ত বিভাগ মিলিয়ে পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। 2023 সালের 1 লা অক্টোবর পরীক্ষাটি হয়েছিল। এরপর চলতি মাসে প্রকাশিত হয় রেজাল্ট। রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজের মেঘনাথ সাহা অডিটোরিয়ামে বঙ্গীয় ভূগোল মঞ্চের পক্ষ থেকে ১৪ ই জুলাই ২০২৪ রবিবার ৩১ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় পদক প্রদান করা ইমরান হোসেনকে। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রাক্তন মুখ্য বিজ্ঞানী ডক্টর পার্থ সারথী চক্রবর্তী।

কোচবিহার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ রক্তদান শিবির ‘উৎসর্গ’

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৩ জুলাইঃ কোচবিহার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ ‘উৎসর্গ’। কোচবিহার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দিনহাটা থানার উদ্যোগে দিনহাটার হেমন্ত বসু কর্নার প্রাঙ্গণে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। - "রক্তদান মহৎ দান, রক্ত দিয়ে বাঁচান প্রাণ”। রক্তের সংকট মেটাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় রক্তদান শিবিরের। আজ শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ দিনহাটা হেমন্ত বসু কর্নারে রক্তদান শিবিরের আয়োজন জেলা পুলিশের উদ্যোগে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার দুত্যিমান ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোপাল কৃষ্ণ মিনা, এসডিপিও ধীমান মিত্র, আইসি জয়দীপ মোদক, দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরীশংকর মাহেশ্বরী, ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরী, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সহ প্রমুখ। এই রক্তদান শিবিরে পুলিশ আধিকারিক, পুলিশ কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার্স সহ সাধারন মানুষেরাও রক্ত দান করেন। রক্তের অভাবে প্রাণ যায় অনেক মানুষের। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না হয়, তাই এবার সচেষ্ট হয়েছে জেলা পুলিশ। বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা পুলিশ সুপার জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা মমতা ব্যানার্জির নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতিবারের ন্যায় এবছরও রক্তদান শিবিরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যাতে রক্তের ঘাটতি ঘুচিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়ে ওঠে। এছাড়া তিনি আরো বলেন মূমূর্ষ রোগীদের রক্তের অভাবে বিপদের সম্মুখীন হতে না হয়। সেই দিকে দৃষ্টি রেখে এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন।

পঞ্চ ব্যঞ্জন লুচি পায়েসে সাত দিন মাসির বাড়ি কাটালো মদনমোহন

Saturday : উত্তরের হাওয়া, ১৩ জুলাই: রাত পোহালেই বাড়ি ফিরে আসবেন কোচবিহারের প্রাণের ঠাকুর মদনমোহন। রাত পোহারেই উল্টোরথ। সাত দিন মাসির বাড়িতে কেমন যত্ন পেলেন কোচবিহারের প্রাণের ঠাকুর? সকালের স্নান সেরে লুচি পায়েস, এরপর দুপুরে পঞ্চব্যঞ্জনে আহার। তাতে ছিল খিচুড়ি, পরমান্য, লাবরা, সন্দেশ মিষ্টি, পাঁচ রকমের ভাজা, দই, এবং অবশ্যই মদনমোহন বাড়ির বিশেষ সন্দেশ। সন্ধ্যায় সুজি লুচি। রাতে আবার অন্ন ভোগ। সাত দিন মাসির বাড়িতে ভক্ত সমাগমের তোর ভালোই কাটালেন মদনমোহন। ছিল কীর্তন এবং অন্যান্য পূজার রীতিনীতি। আনা হয়েছিল ডাবের জল। ছিল লটকন নামক একটি বিশেষ ফল। এছাড়াও দফায় দফায় ফলাহার করেছেন মদনমোহন। এমনটাই জানাচ্ছেন মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত পূজারীরা। দৈনিক কুড়ি থেকে ২৫ কেজি ভোগ রান্না হয়েছে, মদনমোহনের মাসির বাড়িতে। এই ভোগ নিবেদনের পর বিতরণ হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। মূলত মাটির পুতুলের মেলা হত রাজ আমলে, এখন দিন পাল্টেছে কিন্তু মেলার রীতি আজও রয়ে গেছে। সেই সঙ্গে রথ দেখা কলা বেচার মত জিলাপির পশরা ছিল চোখে পড়ার মতো। গুঞ্জু বাড়ি মাসির বাড়ি থেকে রবিবার বিকেলে মদন মোহন ফিরবেন তার নিজের ভবন মদনমোহন বাড়িতে। চোখের জলে শেষ দিনের বিদায় মদনমোহন কে জানাতে ভক্ত পরিজনদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

দিন দুপুরে ব্যবসায়ীর গলায় কোপ, চাঞ্চল্য ধর্মতলায়

Friday : উত্তরের হাওয়া কোচবিহার, ১২ জুলাই: দিন দুপুরে সিমেন্ট ব্যবসায়ীর গলায় কাটারি দিয়ে কোপাল ফুটপাতের ভাগা পানের বিক্রেতা। শুক্রবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরের ধর্মতলা মোড় সংলগ্ন এলাকায়। স্থানীয় ব্যবসায়ী সুশান্ত দেবের গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আহত ওই ব্যবসায়ী বর্তমানে কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত পান বিক্রেতাকে ধরতে গেলেই পান বিক্রেতা ছুটে গিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ পুরো বিষয়টি বিশদে খতিয়ে দেখছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্মতলা মোড়ে দীর্ঘদিন ধরেই পানের ব্যবসা করে আসছেন অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। সম্প্রতি ফুটপাত থেকে অবৈধ ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের ঘটনার পর কয়েকদিন সেই ব্যবসায়ী পানের দোকান বন্ধ রেখেছিলেন। কিন্তু এদিন ফের রাস্তার পাশে নর্দমার উপর পসরা সাজিয়েছিলেন ওই পান বিক্রেতা। স্থানীয় সিমেন্ট ব্যবসায়ী এবং তার কর্মচারীরা এনিয়ে প্রতিবাদ জানাতেই দোকানে আবর্জনা ছুড়তে থাকেন ওই পান বিক্রেতা এবং এনিয়ে দুপক্ষের বচসাও হয়। সেসময়ই অতর্কিত ব্যবসায়ীর গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ দেয় ওই পান বিক্রেতা।

একুশে জুলাই এ এবারও কোচবিহার থেকে কয়েক হাজার যুব যোদ্ধা পৌঁছবে! দাবি কমলেশের।

Thursday : উত্তরের হাওয়া, ১১জুলাই: "পায়ে পায়ে উড়িয়ে ধুলো, একুশে জুলাই ধর্মতলা চলো....." স্লোগান কে সামনে রেখে পুনরায় প্রতিবছরের মত এই বছর প্রস্তুতি শুরু কোচবিহারে। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক জয়লাভ করেছে কোচবিহার, পাশাপাশি ফিরে পেয়েছে কোচবিহারের লোকসভা আসন। তাই এবার কোচবিহার থেকে রেকর্ডসংখ্যক কর্মী সমর্থক একুশে জুলাই এর সমাবেশে উপস্থিত হবে বলে দাবি নেতৃত্বদের। প্রতিবছরের মত এই বছরও একুশে জুলাই এর জনসমাবেশে অন্ততপক্ষে ২৫ হাজার যুবো যোদ্ধা উপস্থিত থাকবেন কোচবিহার থেকে বলে দাবি করলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি কমলেশ অধিকারী। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই বুথ স্তর থেকে শুরু করে ব্লক স্তর পর্যন্ত প্রস্তুতি বৈঠক মিছিল এবং মিটিং চলছে। আগামী ১৭ ই জুলাই থেকে শুরু করে ১৯ শে জুলাই পর্যন্ত দৈনিক প্রায় ১০ হাজার যুবকর্মী সমর্থক রওনা দেবেন কলকাতার উদ্দেশ্যে। টার্গেট ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহার জেলার নয়টি আসনের নয়টি আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করানো। আর এই লক্ষ্যমাত্রা কে সামনে রেখে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা নেওয়ার জন্যই কর্মী সমর্থকরা উপস্থিত হবেন কলকাতায়। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। এছাড়াও এবার মহিলা এবং ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীদের উপস্থিতি থাকবে চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে কলেজের ছাত্রীদের উপস্থিতিও থাকবে নজর কারা। কোচবিহারের বিভিন্ন কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ইতিমধ্যেই বৈঠক করে যোগাযোগ শুরু করেছে। সকলের ইচ্ছা একুশে জুলাই এর সমাবেশে পৌঁছানো। ট্রেন বাস যেভাবেই হোক তারা, কলকাতায় পৌঁছাবেন। শুধু সমাবেশে নয়, একুশে জুলাই যেখানে কোচবিহারের কর্মী সমর্থকরা থাকেন সেইখানে প্রতিবছর এসে উপস্থিত হন সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে একুশে জুলাইয়ের সভা পরিচালনা করেন এবং কোচবিহারের যারা কর্মী সমর্থক উপস্থিত থাকেন তাদের উৎসাহ বৃদ্ধি করেন। এছাড়াও মাদার সংগঠন, শ্রমিক কৃষক সংগঠন, মহিলা সংগঠন এর কর্মী সমর্থকরা তৈরি হয়েছেন যাওয়ার জন্য। প্রসঙ্গত, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে প্রচার এবং দলীয় কর্মসূচিতে নির্ণায়ক ভূমিকা গ্রহণ করেছিল কোচবিহারের যুব যোদ্ধারা। মূলত যুব যোদ্ধাদের কাঁধে ভর করেই বিপুল ভোটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী কে পরাস্ত করে জয়যুক্ত হয়েছেন কোচবিহারের অন্যতম বলিষ্ঠ নেতৃত্ব জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তিনি নিজেও এবার উৎসাহ দিচ্ছেন যুগযোদ্ধাদের একুশে জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিতিকে রেকর্ড সংখ্যক করার জন্য। ইতিমধ্যেই জেলা জুড়ে প্রস্তুতি বৈঠক শেষ হয়েছে। যুব যোদ্ধারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি বলেন প্রতি বছরের মত কোচবিহারের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুব যোদ্ধাদের উপস্থিতি কলকাতার একুশে জুলাই এর সমাবেশ কে আরো সমৃদ্ধ করবে। নব্য নির্বাচিত সাংসদ জগদীশ বাবু মন্তব্য করে বলেন, যুব যোদ্ধা তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম বড় শক্তি। তাদের উপস্থিতি এবং তাদের উদ্দেশ্যে রাখা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা আগামী দিনে দলকে আরো সমৃদ্ধ করবে এবং ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের নয়টি বিধানসভা আসনেই নির্ণায়ক ভূমিকা গ্রহণ করবে।

রাজ্য

করোনেশন ব্রিজ থেকে বন্ধ হয়ে গেল চলাচল

Monday : উত্তরের হাওয়া, ১জুলাই: করোনেশন ব্রিজ থেকে বন্ধ হয়ে গেল চলাচল। আবার ধসের কবলে পড়ল শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাতায়াতের রাস্তা। শুক্রবার থেকে রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। আর শনিবার সকাল থেকেই ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ধস নামতে দেখা গেল। লিখুভির এবং ২৮ মাইলের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে সেবকের করোনেশন সেতু সংলগ্ন এলাকায় ধসের কারণে ওই জাতীয় সড়ক দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। গত বুধবারই শিলিগুড়ি-গ্যাংটক যাতায়াতের পথে ধস নেমেছিল। এখনও টানা বৃষ্টি চলছে পাহাড় থেকে সমতলে। সে বারও লিখুভিরের কাছেই ধস নেমেছিল। পাহাড় বেয়ে বিশাল পাথর জাতীয় সড়কের উপর পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। জাতীয় সড়কের দুই পাশে গাড়ির লম্বা লাইন পড়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যে আবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হল ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। এর আগে তিস্তার জল বাড়তে শুরু করায় তিস্তা বাজার থেকে দার্জিলিংগামী রাস্তা প্রশাসনের তরফে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শিলিগুড়িতে মহানন্দা নদীর জলস্তরও বেড়েছে। জাতীয় সড়ক না-খোলা পর্যন্ত গাড়িগুলিকে লাভা গোরুবাথান রুট হয়ে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

জলে ভাসিয়ে পাচারের চেষ্টা, সিঙ্গিমারিতে নদী থেকে উদ্ধার ৬০ গোরু

Sunday : উত্তরের হাওয়া, দিনহাটা, ৩০ জুন: কলার গাছ ও বাঁশে বেঁধে জলে ভাসিয়ে নির্মম ভাবে ৬০ টি বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল পাচারকারীরা। কিন্তু সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর তৎপরতায় তা ভেস্তে যায়। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের সিতাইয়ের সিঙ্গিমারি এলাকার গিরিধারি নালায়। রবিবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর গৌহাটি ফ্রন্টিয়ারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিদিনের মতো এদিনও ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের জলাশয় গুলিতে নজরদারি চালাচ্ছিল বিএসএফ। সেসময় গোপন সূত্রের ভিত্তিতে, সিঙ্গিমারি নদীর অন্যতম নালা গিরিধারিতে কলার গাছ ও বাঁশে নির্মমভাবে বাধা অবস্থায় ৬০ টি গোরু উদ্ধার করে। বর্তমানে সেসব সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পদ্মা বিওপিতে রেখেছে সীমান্ত বাহিনী। প্রসঙ্গত, ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের সিতাইয়ের এক বিস্তির্ন এলাকার সীমান্তে নদীপথ রয়েছে। সেই উন্মুক্ত সীমান্তকে ব্যবহার করে পাচারকারীরা বিভিন্ন সামগ্রী পাচারের সাম্রাজ্য চালান কারবারীরা। মুলত বর্ষার মরশুমে ভরা নদীতে গোরুকে কলাগাছ ও বাঁশে ভাসিয়ে কচুরিপানায় ঢেকে পাচারের চেষ্টা করেন কারবারীরা। এদিন সেধরনেরই একটি পাচারকারীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে বিএসএফ। এই পাচারচক্রের জাল কতটা ছড়ানো সেটিও বিশদে দেখছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী।

১০০ ছুঁইছুঁই শাশুড়ির ষাটোর্ধ জামাই! ঘটা করে জামাইষষ্ঠী পালন!

Wednesday : উত্তরের হওয়া, ১২ জুন: বয়স প্রায় ১০০ কাছাকাছি। আজও নিয়ম নিষ্ঠা মেনে করে চলেছেন ৬০ উর্ধ্ব জামাইয়ের ষষ্ঠীর বরণ। দিনহাটার নিগমনগরের বাসিন্দা বিরসী বালা নাথ, বয়স প্রায় ১০০ কাছাকাছি হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই জামাই এর বয়সও ৬০ পেরিয়ে গিয়েছে। তবে বয়স বেড়ে গেলেও বাঙালি রীতিনীতিতে ভাটা পড়েনি এতটুকুও। আজও প্রতিবছর জামাইষষ্ঠীর দিনে জামাইকে বরণ করেন তিনি। এবং ৬০ ঊর্ধ জামাই ও তার স্ত্রী শাশুড়ি মায়ের থেকে আশীর্বাদ নিতে অপেক্ষা করে থাকেন এই দিনটির জন্য। সম্পূর্ণ বাঙালি প্রথায় বিরসী দেবী বরণ করেন তাঁর জামাইকে। আসনে বসে থাকেন জামাই। এরপর জামাইয়ের সামনে দেওয়া হয় ফলাহার। যার মধ্যে থাকে আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা সহ বিভিন্ন রকমের মিষ্টি। প্রথমে গঙ্গাজল দিয়ে শাশুড়ি মা তার জামাই ও মেয়েকে করেন বরণ। এরপর ধান-দুর্বা দিয়ে জামাই এবং মেয়েকে আশীর্বাদ করেন। তারা সকলেই বৃদ্ধা বিরোসী দেবীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। এরপর পাঁচ রকমের গোটা ফল কাঁসার থালায় জামাইয়ের হাতে তুলে দেন শাশুড়ি। তারপর জামাইকে দেওয়া হয় তালপাতার পাখা দিয়ে হাওয়া, যেটি অন্যতম রীতি জামাই ষষ্ঠীর। স্বাভাবিকভাবেই জামাইষষ্ঠী উপলক্ষ্যে খাওয়া-দাওয়ার পর্ব ছাপিয়ে এই বাঙালি অনুষ্ঠানের যে রীতিনীতি আজও বজায় রেখেছেন বিরসী দেবী তা সমাজের চোখে স্থাপন করেছে দৃষ্টান্ত।

লোকসভা ভোট মিটতেই এবার বিধানসভা উপনির্বাচন ১০ জুলাই হতে পারে

Monday : উত্তরের হাওয়া, ১০ জুন: লোকসভা ভোট মিটতেই রাজ্যে বিধানসভা উপনির্বাচনের তোড়জোড় শুরু। আগামী ১০ জুলাই রাজ্যের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। উপনির্বাচন হবে রায়গঞ্জ, রানাঘাট দক্ষিণ, বাগদা এবং মানিকতলা কেন্দ্রে। রাজ্যের চারটি কেন্দ্র বিধানসভা উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গেল। আগামী ১০ জুলাই রাজ্যের চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। রায়গঞ্জ কেন্দ্র থেকে কৃষ্ণ কল্যাণী BJP-র বিধায়ক হয়ে জিতেছিলেন একুশের নির্বাচনে। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি এবারের লোকসভা ভোটে রায়জঞ্জ কেন্দ্র থেকে জোড়াফুলের প্রার্থী হয়ে জেতেন। রায়গঞ্জ কেন্দ্রটি ফাঁকা হওয়ায় সেখানে হবে উপনির্বাচন। একুশের নির্বাচনে একইভাবে বাগদা কেন্দ্র থেকে BJP-র টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। পরে তিনি তৃণমূলে ফেরেন। এবারের লোকসভা নির্বাচনে বনগাঁ থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করে। যদিও ভোটে তিনি পরাজিত হয়েছেন BJP-র শান্তনু ঠাকুরের কাছে। বাগদা সিটটিও খালি থাকায় সেখানেও আগামী ১০ জুলাই হবে বিধানসভা উপনির্বাচন হবে। অন্যদিকে, রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক ছিলেন মুকুটমণি অধিকারী। তিনিও এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে লড়াই করেন। ওই কেন্দ্রটি ফাঁকা থাকায় এবার সেখানেও হবে উপনির্বাচন। একইভাবে দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা পড়ে রয়েছে মানিকতলা কেন্দ্রটিও। প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে ছিলেন মানিকতলার বিধায়ক। এবার শহর কলকাতার প্রাণকেন্দ্রের এই মানিকতলাতেও রাজ্যের বাকি তিন কেন্দ্রের সঙ্গেই হবে উপনির্বাচন। সিতাই এর বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া এবারের তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন। ফলে সিতাই বিধানসভার কেন্দ্রের উপ নির্বাচনে হতে পারে একই সাথে।

সুকান্ত কেন্দ্রে মন্ত্রী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি কি শুভেন্দু, বড় পরিবর্তন বাংলায়

Sunday : ২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দিলীপ ঘোষের পরিবর্তে বাংলার রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ২০২৪ লোকসভা ভোটে প্রত্যাশিত ফল না মেলায় এবার রাজ্য সভাপতি বদলের পথেই কি হাঁটতে চলেছে বিজেপি? ইঙ্গিত উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রবিবারই সুকান্ত মজুমদার জানান, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি। যার ফলে রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদে রদবদল কি কার্যত অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে ? কী বলছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। গেরুয়া শিবির সূত্রের খবর, অনেক নাম নিয়ে চর্চা চলছে কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি রাজ্য সভাপতি বদল হবে? নাকি সুকান্ত মজুমদারকেই রেখে দেওয়া হবে রাজ্য সভাপতি পদে? তা এখনও দলীয় স্তরে চূড়ান্ত হয়নি। বিজেপি সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের নামও আলোচনায় আছে এই পদের সম্ভাব্য যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে। এখনও পর্যন্ত বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের শপথের পরেই কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই নিয়ে বৈঠকে বসবেন। পাশাপাশি বিজেপির পরিষদীয় দলে ও সাংগঠনিক ক্ষেত্রে আরও বেশ কিছু পরিবর্তনেরও সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি সূত্রে ও জানা যাচ্ছে বাংলায় লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের জেরেই সম্ভবত বড় সাংগঠনিক বদল হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে বিজেপির সংবিধান অনুসারে, কোনও ব্যক্তি একসঙ্গে ২টি পদে থাকতে পারেন না। ফলে সুকান্তবাবু মন্ত্রী হলে তাঁকে রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিতেই হবে। ফলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি রদবদল এখন সময়ের অপেক্ষা।

দেশ

এডিজি বিএসএফ গুয়াহাটি সীমান্তের অধীনে কোচবিহার আন্তর্জাতিক সীমান্তের অপারেশনাল প্রস্তুতির পর্যালোচনা

Friday : উত্তরের হাওয়া, ২৯ মার্চঃ শ্রী রবি গান্ধী, ADG, পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের বিএসএফ গোপালপুর সেক্টর কোচবিহার সফরের সময়, ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বিএসএফ-এর অপারেশনাল প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন আজ। এডিজি বিএসএফ সেক্টর হেড কোয়ার্টার বিএসএফ গোপালপুর পরিদর্শন করেন যেখানে তাকে এলাকার বর্তমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। তিনি বিএসএফ-এর গোপালপুর ও কোচবিহার সেক্টরের দায়িত্বের এলাকায় বিদ্যমান নদীপথ এবং বেড়িবিহীন সীমান্তের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন। শ্রী রবি গান্ধী, ADG সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন মোতায়েন করা বর্ডারম্যানদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে সীমানা রক্ষায় তাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং তাদের নিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন।

গ্রেপ্তার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

Thursday : উত্তরের হাওয়া, ২১মার্চ: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মদ নীতি কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে নয়াদিল্লির রাজনীতিতে এই ঘটনা ঘটল। আর স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে প্রথম ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কেজরিওয়াল গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার রাজনৈতিক দল আম আদমি পার্টি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হলেও কেজরিওয়াল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন। সূত্রের খবর আজ সন্ধে ৬টা নাগাদ কেজরিওয়ালের বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। তারপরই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে জেরা শুরু করে তাঁরা। কেজরিওয়ালকে বারবার হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যেতে চাইছিল ইডি। কিন্তু তাতে রাজি হননি অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এদিকে খবর পেয়েই কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে ভিড় করতে শুরু করেন আম আদমি পার্টির কর্মী সমর্থকরা। ২ ঘণ্টা কেজরিওয়ালকে জেরা করার পরেই তাকে গ্রেফতার করে ইডি।

ফিলিস্তিনের সমর্থনে কোচবিহারে ঐতিহাসিক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল

Friday : উত্তরের হাওয়া, ১৮ নভেম্বর: ফিলিস্তিনের নিপিড়িত মানুষের পক্ষে ও দখলদার অবৈধ রাষ্ট্র ইজরায়েল যেভাবে অনবরত ফিলিস্তিনের উপর হামলা চালাচ্ছে ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবিতে কোচবিহারে এক ঐতিহাসিক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিনের বন্ধুকামী মানুষ হিসেবে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে শান্তিকামী মানুষদের উপস্থিতি জন প্লাবন তৈরি করে। উক্ত মিছিলে উপস্থিত ছিলেন নিরপেক্ষ প্রতিবাদী মঞ্চ তথা নিপ্রমের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাব্বির হোসেন, নিপ্রমের গঠনতন্ত্রের রচিয়তা কাউসার আলম ব্যাপারী, রাজনীতি বিদ সম্রাট হক, ও আব্বাস আলী। নিপ্রমের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাব্বির হোসেন বলেন _" আমরা অবিলম্বে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চাই ও ইজরায়েলের দখলদারিত্ব বন্ধ হোক। ও আমেরিকা ও ব্রিটিশদের মদত পুষ্ট ইজরায়েল নিপাত যাক। ও আমাদের দেশের সরকার অবিলম্বে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াক।

রাজ্যে ফের ভূমিকম্প। কেঁপে উঠল আলিপুরদুয়ার

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, ৮ নভেম্ভর: রাজ্যে আবারও ভূমিকম্প (Earthquake)! এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা। বুধবার সকাল ১০:৫১ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি সূত্রে খবর, রিখটার স্কেলে (Richter Scale) কম্পনের মাত্রা ৩.৬। শিলিগুড়িতেও (Siliguri) কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর। আলিপুরদুয়ার ছাড়াও অসমেও (Assam) ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ওই রাজ্যের হাইলাকান্দিতে কম্পন অনুভূত হয়েছে। সেখানে এদিন সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে ৪.১ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়েছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত ১১ টা ৪০ মিনিট নাগাদ দিল্লি-সহ পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সেই সময় কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৪। ভূমিকম্পের উত্‍স স্থল ছিল নেপাল। যেটি লখনউ থেকে ২৫৩ কিলোমিটার দূরে এবং কলকাতা থেকে ৯২৫ কিলোমিটার দূরে। সেই ভূমিকম্পে নেপালে (Nepal Earthquake) ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়। মৃত্যু হয় দেড়শো জনেরও বেশি লোকের। প্রচুর ঘর-বাড়ি ভেঙে পড়ে। আর তার ঠিক চার দিনের মাথায় আবারও কেঁপে উঠল পশ্চিমবঙ্গ। বুধবার ভূমিকম্প অনুভূত হতেই আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ। বারবার এই ধরনের ভূমিকম্পে রীতিমতো শঙ্কিত সকলেই। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, ভারতে আগামী দিনে ভয়ানক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, হিমালয়ের (Himalaya) নীচে ভূকম্পন বলয় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যার জেরে ভারতীয় পাতের সঙ্গে ইউরেশীয় পাতের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। টেকটনিক প্লেটদের সংসারে লাগাতার অশান্তির কারণে দিল্লি বা উত্তর-পশ্চিম ভারত শুধু নয়, গোটা দেশেই ভয়ানক ভূমিকম্প হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্ব

খেলা

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান দিনহাটা শহরে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজের সূচনা

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ২জানুয়ারি: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান দিনহাটা শহরে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজের সূচনা হলো। মঙ্গলবার শহরের পাইওনিয়ার ক্লাব প্রাঙ্গনে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কাজে সূচনা করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। পাশাপাশি বয়েজ ক্লাব এলাকা থেকে চড়ক মেলা মাঠ পর্যন্ত হাইড্রেন তৈরির কাজের সূচনাও হয় এদিন। জানা গেছে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৯৬ টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে এই দুটি প্রকল্প উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের সহযোগিতায়। এদিনের অনুষ্ঠানে সেখানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ ভট্টাচার্য, দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান গৌরীশংকর মাহেশ্বরী, ভাইস চেয়ারম্যান সাবির সাহা চৌধুরী, পাইওয়নিয়ার ক্লাবের সভাপতি ডঃ অমল বসাক সহ আরো অন্যান্যরা। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী উদয়ন গুহ জানান, ছয় মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে এই মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম। খেলাধুলার বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা মিলবে সেখানে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এই মিনি স্টেডিয়াম পুরোপুরি ভাবে তৈরি করে দিলেও দেখভালের দায়িত্বে থাকবে ক্লাব কতৃপক্ষের এমনটাই তিনি জানিয়েছেন। বলা বাহুল্য, ১৯৮৮ সালে দিনহাটা শহর সংলগ্ন পুঁটিমারিতে স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ৬ একর জমি কেনা হয়। তখন রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার। রাজ্যের যুব কল্যাণ দফতরের দেওয়া আর্থিক বরাদ্দে ওই জমি কেনা হয়। সরকারি নিয়ম মেনেই মহকুমা ক্রীড়া সংস্থা এবং দিনহাটা–১ পঞ্চায়েত সমিতির মালিকাধীন বলে জমির ‘দলিল’ তৈরি হয়।তারপর প্রায় ৩৪ বছরেরও বেশি সময়কেটে গিয়েছে। সীমানা পাঁচিল ছাড়া স্টেডিয়াম তৈরির কিছুই হয়নি। তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হলেও কেউই সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। আদৌ কি সেই স্টেডিয়াম তৈরি হবে সেই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে ঠিক তখনই দিনহাটা শহরের বুকে মিনি স্টেডিয়াম গড়ে তোলার কাজের সূচনা হলো এদিন। পুটিমারি সংলগ্ন এলাকায় সেই স্টেডিয়ামের বিষয় নিয়ে এদিন মন্ত্রী উদয়ন গুহ কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, স্টেডিয়াম আর মিনি স্টেডিয়ামের মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য রয়েছে। সে সময় যারা সেখানে স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা করেছিলেন সেই সময় হয়তো পরিকল্পনার খানিকটা খামতি ছিল। সেখানে গাড়ি পার্কিং, অ্যাপ্রোচ, প্রবেশ পথের কোনরকম চিন্তাভাবনা হয়নি। সব মিলিয়ে একটা ঘাটতি থেকে গেছে। তবে মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি ক্ষেত্রে সব কিছু ব্যবস্থায় থাকছে বলেও তিনি জানান। স্বাভাবিকভাবেই মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম দিনহাটায় তৈরি হচ্ছে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন মহলে খুশির হাওয়া এবং ক্রীড়া প্রেমীরা অত্যন্ত খুশি এমনটাই জানা গেছে।

তানিয়াকে সম্বর্ধনা দিল কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন

Tuesday : উত্তরের হাওয়া, ৪জুলাই: কোচবিহার ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সম্বর্ধিত করা হয় ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের সদস্যা কুমারী তানিয়া কামতি কে। উল্লেখ্য দিনহাটার মেয়ে তানিয়া কামতি একজন অতি সাধারণ ট্যাক্সি ড্রাইভার এর মেয়ে। নিজের অধ্যবসায় ও সাধনার ফলে আজকে সে জাতীয় ফুটবল দলে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত সাফ কেমসে ভারতীয় মহিলা ফুটবল এর হয়ে অংশ নিয়েছিল তানিয়া কামতি। এই আন্তর্জাতিক স্তরের খেলায় তানিয়ার পারফরম্যান্স দিনহাটা কোচবিহার এমনকি পশ্চিমবাংলা তথা ভারতের মান উঁচু করে। আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটায় কোচবিহারের স্টেডিয়াম সংলগ্ন ডিস্ট্রিক স্পোর্টস এসোসিয়েশনের সভাকক্ষে তাকে ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হয়। এই মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুব্রত দত্ত। সহ-সভাপতি অমলেশ সরকার, সহ-সভাপতি তপন ঘোষ এবং সহ-সভাপতি অশোক হাজরা।

রাজনীতি

ভোট পরবর্তী হিংসায় ফের শিরোনামে দিনহাটা

Saturday : উত্তরের হাওয়া দিনহাটা, ২০ এপ্রিল: ভোটের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজনৈতিক হিংসায় ফের নাম জড়াল দিনহাটা বিধানসভার। শুক্রবার রাতে সংশ্লিষ্ট বিধানসভার কিশামতদশগ্রামের টিয়াদহে সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সুকুমার মালির বাড়িতে ভাঙচুর ও ওই তৃণমূল কর্মীর বাবা নিবারন মালির দুই হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠছে বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর স্ত্রী হেমতি মালির অভিযোগ, গতকাল রাত ১১ টা নাগাদ বাড়িতে নাবালক ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে ছিলাম। স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। সেসময় বাড়ির টিনের চালে ক্রমাগত শিল ছোড়া হয়। ভয় পেয়ে পাশেই আত্মীয় বাড়িতে যাই। সেসময়ই বিজেপির লোকেরা বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। শ্বশুর মশাই এগিয়ে আসতেই তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার সংযোজন, ঘরে থাকা সোনার গয়না ও টাকাও লুঠপাট হয়েছে। বাজনা বাজিয়ে সংসার চলে। সক্রিয়ভাবে তৃণমূল করার খেসারত দিতে হল। তৃণমূলের কিশামতদশগ্রাম অঞ্চল সভাপতি জগদীশচন্দ্র রায়ের মন্তব্য, বিজেপি ওখানে হারবে বলেই সক্রিয় ওই কর্মীকে টার্গেট করা হয়েছে। আমাদের দলীয় নেতৃত্বও এলাকায় যাবেন। যদিও বিজেপি নেতারা হিংসার ক্ষেত্রে বিজেপির যোগ অস্বীকার করেছেন ও তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই ঘটনা ঘটেছে বলে পাল্টা দাবী করেছেন। এদিকে ঘটনার জেরে এলাকায় গতকাল রাত থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই ঘটনাস্হলে পৌছে পরিস্হিতি খতিয়ে দেখেছে পুলিশ। এরপর শনিবার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ।

কোচবিহারে যাবেন না বোসকে অনুরোধ নির্বাচন কমিশনের

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, ১৭এপ্রিল: উত্তরবঙ্গে নির্বাচন চলার সময় রাজ্যপালকে সেখানে না যাওয়ার পরামর্শ দিল নির্বাচন কমিশন। তারা জানিয়েছে, নির্বাচনের দিন রাজ্যের রাজ্যপাল যদি নির্বাচনক্ষেত্রে উপস্থিত থাকেন, তবে তা ভোটের আদর্শ আচরণ বিধি ভাঙবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই প্রথম দফার নির্বাচন হবে উত্তরবঙ্গের তিন লোকসভা কেন্দ্র-জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে।রাজ্যপাল জানিয়েছিলেন, ভোট চলাকালীন তিনি নিজে কোচবিহারে থাকবেন। সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন এলাকার পরিস্থিতি। তবে কমিশন জানিয়ে দিল ভোটের আদর্শ আচরণ বিধি এর ফলে লঙ্ঘিত হবে।

উদয়নকে গৃহবন্দী রাখার আর্জি নিশীথের

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, দিনহাটা, ১৭ এপ্রিল: শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট করতে ভোটের দিন দিনহাটার বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে গৃহবন্দী রাখার দাবী তুললেন বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক । নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে এই আর্জি জানিয়েছেন তিনি। কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে নিশীথ লিখেছেন, ‘আপনারা জানেন যে উদয়ন গুহই যাবতীয় গুন্ডামির মূল। নির্বাচনি আদর্শ আচরণবিধি চালু থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের অনুমতিক্রমে করা র‌্যালিতেই আমাকে দু’বার আক্রমণ করেছেন।’ পাশাপাশি ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের পর অশান্তির প্রসঙ্গ উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরে উদয়নকে শান্তির পক্ষে ক্ষতিকারক বলে প্রমান করার চেষ্টা করেছেন তিনি। নিশীথের অভিযোগ, উদয়ন গুহর নেতৃত্বে বারবার কোচবিহারে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। ভোটের দিনও একইরকমভাবে সন্ত্রাস হতে পারে। উদয়ন গুহ যাতে তাঁর বুথের বাইরে বের হতে না পারেন তা দেখুক কমিশন । তাঁর সংযোজন, লোকসভা নির্বাচনের প্রচার বিগত দিনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদয়ন গুহ বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য রেখেছেন। এতে কর্মীরা প্ররোচিত হয়ে গন্ডগোল করতে পারে। গত ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পর যে পোস্ট পোল ভায়োলেন্স হয়েছিল তাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যে দুষ্কৃতীদের নাম উল্লেখ করেছিল তাতে উদয়ন গুহর নাম ছিল। তাই শান্তিতে ভোট করানোর লক্ষ্যে ভোটের দিন তাঁর বুথের মধ্যে তাঁকে রাখা হোক। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী সাংবাদিক বৈঠক করে একধাপ এগিয়ে উদয়ন গুহকে গৃহবন্দি করার দাবি জানিয়েছেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন উদয়ন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে ভোট বৈতরণী পার হতে চাইছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। মানুষের পাশে থেকে সবসময় কাজ করেন বলে জানান উদয়ন। মানুষও তাঁকে চায়। তাই ভয় পেয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষের অধিকার মানুষই বুঝে নেবেন। আমি ঘরে বসে থাকলেও মানুষ যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ে নিয়েছে।

জগদীশের প্রার্থী পদ বাতিলের আর্জি বিজেপির

Wednesday : উত্তরের হাওয়া, কোচবিহার, ১৭ এপ্রিল: নির্বাচন কমিশনে জমা করা হলফনামায় স্ত্রীকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন কোচবিহার লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনীয়া। তাই তার মনোনয়ন বাতিল করা হোক। এমনই দাবী জানিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি নেতা তথা কোচবিহার জেলা সম্পাদক জেলা অজয় রায়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী । বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাঁর হলফনামায় জানিয়েছেন যে, তাঁর স্ত্রীর নাম শুকতারা বর্মা বসুনিয়া। অন্যদিকে, সিতাই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী সংগীতা রায় বসুনিয়া তাঁর হলফনামায় জানিয়েছেন যে, তাঁর স্বামী জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। স্বভাবতই তৃণমূল প্রার্থীর দেওয়া তথ্য ভুল রয়েছে বলে দাবী তৃণমূলের । তাই তার মনোনয়ন বাতিলের দাবী তুলেছেন তারা। পাল্টা কটাক্ষ করে তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি অভিজিত দে ভৌমিকের মন্তব্য, মনোনয়ন জমা পড়েছে প্রায় ১৫ দিন আগে, এতদিন কি বিজেপি নেতারা চোখ বন্ধ করেছিলেন? অভিযোগ করার হলে তখন করেননি কেন? নিজেদের পায়ের তলার মাটি নেই তাই উল্টোপাল্টা দাবি করছে।

রাশিফল

লাইফস্টাইল




Follow us on                  

About Us
uttorerhawa, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Dinhata, Cooch Behar
Call : 7076088024
WhatsApp : 7076088024
Email : uttorerhawa1985@gmail.com
Important Link
  • Disclaimer
  • Privacy Policy

  • Total Visitor : 332152